কামারহাটির তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র শনিবার রাতে নিজের এলাকায় বিক্ষোভের মুখে পড়েন। কামারহাটি পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে অশান্তির খবর পেয়ে তিনি গাড়ি নিয়ে বের হন। সেখানে কাউন্সিলর অরিন্দম বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আক্রমণের শিকার হন।
মদন মিত্র ফেসবুক লাইভে জানান, তাঁর গাড়ি ঘিরে ১০০-১৫০ জন লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে এগিয়ে আসেন। তাঁরা ‘চোর চোর’ স্লোগান দেন এবং গাড়িতে ডিম ছোড়েন। গাড়ির চালককে মারধরও করা হয়। মদন জানান, স্থানীয় কয়েকজন মহিলা তাঁকে অন্ধকার ঘরে লুকিয়ে রাখেন, যার ফলে তিনি প্রাণে বাঁচেন।
মদন মিত্র অভিযোগ করেন, এই হামলার পেছনে বিজেপি-আশ্রিত গুন্ডাবাহিনী রয়েছে। তাঁরা ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে হত্যার হুমকি দেন। মদন বলেন, ‘আজ মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখলাম।’
শনিবার সন্ধ্যা থেকেই অরিন্দম বিশ্বাসের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। কাটমানির অভিযোগ তুলে অনেকে বিক্ষোভ দেখান। মদন মিত্রের দাবি, এই অশান্তির পেছনে বিজেপি-আশ্রিত গুন্ডাবাহিনী রয়েছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। মদন মিত্রের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে।
এদিকে, বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, বিক্ষোভকারীরা স্থানীয় বাসিন্দা। তাঁরা কাটমানির অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। বিজেপি দাবি করেছে, এই ঘটনায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই হামলার নিন্দা করেছে এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। বিজেপি এই অভিযোগ অস্বীকার করে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
এই ঘটনায় কামারহাটি এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।
মদন মিত্রের এই অভিযোগের পরিপ্র
