Source : BBC NEWS
BBC/Archisman Saha
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে খ্রিস্টান ধর্মের মানুষের উপর একের পর এক হামলার অভিযোগ উঠছে।
পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এক খ্রিস্টান পরিবারের অভিযোগ, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তি তাদের উপর হামলা চালান এবং তাদের সরকারি পরিষেবা থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার হুমকি দেন।
হামলায় আক্রান্ত পার্বতী হেমব্রম সোরেন বিবিসি বাংলাকে জানান, পরিবারের সকলে মিলে সোমবার রাতে প্রার্থনা শুরু করতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় ৩০ জনেরও বেশি ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় তাদের বাড়িতে জোর করে ঢুকে পড়ে এবং হামলা করে।
মিজ সোরেন বলেন, “চুলের মুঠি ধরে মেরেছে আমাকে। বলেছে আমাদের বাড়িতে থাকতে দেবে না। আমার স্বামীকে অকত্থ্য ভাষায় গালাগাল করছিল। আমাদের সঙ্গে আমাদের আত্মীয়রাও ছিলেন, আমার ননদের গায়েও হাত তুলেছিল তারা। আমাদের ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল।”
কয়েক দিন আগে দুর্গাপুজোর সময় পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় বজরং দলের সদস্য বলে পরিচয় দেওয়া একদল ব্যক্তির বিরুদ্ধে একাধিক খ্রিস্টান পরিবারের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছিল।
চলতি বছরের মে মাসে পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদলের পর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের উপর একাধিক হামলার অভিযোগ উঠেছে। ‘ইন্ডিয়া হেট ল্যাব’ নামে একটি গবেষণা সংস্থার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ১৩ মে থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে রাজ্যের ১৩টি জেলায় খ্রিস্টানদের ওপর মোট ৬০টি হামলার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।
Herode Mullick
হামলার সময়ে কী ঘটেছিল?
পাঁশকুড়ার বাসিন্দা মিজ সোরেনের দাবি, এই ‘দুষ্কৃতকারীরা’ এর আগেও তাদের পরিবারকে হুমকি দিয়েছিল। তার কথায়, গত ১১ই অক্টোবর একই ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে এসে খ্রিষ্টধর্ম পালন করার কারণে হুমকি দেন।
তিনি বলেন, “গতকাল রাতে ৭টা থেকে ৯টার মধ্যে তারা মদ্যপান করে চোরের মতো আমাদের বাড়ি আসেন। এমন সময়ে এসেছে অন্ধকারে যে বাইরের লোক যে ভিডিও করবে সেটাও সম্ভব ছিল না। আমার মোবাইলে আমি ভিডিও করেছিলাম, সেটাও তারা আমার ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ডিলিট করে দিয়েছেন। অবশেষে পুলিশের থেকে আমি আমার ফোন ফেরত পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আমাদের উপর চাপ সৃষ্টি করছে, যাতে আমরা খ্রিস্টধর্ম ছেড়ে হিন্দু ধর্মে ফিরে আসি। আমরা ওদের বলেছি, আমরা নিজে থেকে খ্রিস্টান ধর্ম বেছে নিয়েছি, আমরা পালন করছি। তাই আমাদের মারধর করা হচ্ছে।”
‘বঙ্গীয় খ্রিষ্টিয় পরিষেবা’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হেরোদ মল্লিকের দাবি, পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সংস্থার এক আইনজীবী অভিযোগকারীকে ফোন করেছিলেন। সেই ফোনালাপ চলাকালীনই আক্রমণকারীরা তার ফোন কেড়ে নেন।
তাদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, ফোনে নিজেদের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্য বলে পরিচয় দিয়ে আইনজীবীকে হুমকি দেন তারা। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বুঝতে পেরে ফোনের সংযোগও কেটে দেন।
অভিযোগ, দুষ্কৃতকারীরা খ্রিস্টধর্মকে “আমেরিকান ধর্ম” বলে উল্লেখ করে পরিবারটিকে হিন্দুধর্ম গ্রহণ করতে বলেন।
মিজ সোরেন বিবিসি বাংলাকে বলেন, “তারা আমাদের উঠোনে তুলসি মঞ্চ এবং মনসা মন্দির তৈরি করতে বাধ্য করছিল। আমরা তাদের বলেছিলাম, আমরা খ্রিস্টান, আমরা তা করব না। এখন তারা লোকজনকে আমাদের কাজ দিতে বারণ করছে। তারা আমাদের বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ কেটে দেওয়ার, রেশন এবং আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত করার হুমকি দিয়েছে। আমাদের কেউ যাতে সাহায্য না করে, তার জন্য সবাইকে হুমকি দিচ্ছে তারা।”
গতকাল রাতের ঘটনার সময়ে বাড়িতে ছিলেন অভিযোগকারী নারী, তার স্বামী এবং তাদের দুই ছোট সন্তান। এ ছাড়া তার তিনজন আত্মীয়ও সেখানে ছিলেন।
তিনি বলেন, “আমাদের আরাধনার স্থানটি পুড়িয়ে ফেলা হয়, ছিঁড়ে ফেলা হয়, আমাদের টেনে বের করে মারধর করা হয়। আমার উপর হামলা করেছে, সঙ্গে আমার ননদকেও চড়-থাপ্পড় মেরেছে। আমার স্বামীকে অনেক গালাগালি দিয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “তারা আবার ফিরে এসে আমাদের উপর হামলা করার হুমকি দিয়েছে। বলেছে, এ বার ৫০ থেকে ১০০ জনকে নিয়ে আসবে। আমরা অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ এখনও কোনও মামলা শুরু করেনি।”
নিরাপত্তার কারণে মিজ সোরেন এবং তার পরিবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।
“আমার স্বামী টোটো চালান, আমাদের টোটো কিনতে দু লাখ টাকার লোন নিতে হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে কী করে নিরাপদ থাকব, বা লোনটি শোধ করব বুঝতে পারছি না।”
Herode Mullick
ধর্মান্তর করার চাপ তৈরির অভিযোগ
এই ঘটনার কয়েক দিন আগে, ১৮ থেকে ২০শে অক্টোবরের মধ্যে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনায় একাধিক পরিবার বজরং দলের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। তাদের অভিযোগ, এক নারীকে যৌন হয়রানি করা হয়, তার পোশাক ছিঁড়ে দেওয়া হয় এবং ধর্মান্তরিত করার উদ্দেশ্যে তাদের জোর করে একটি পুজোমণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিবিসি বাংলা চন্দ্রকোনার এই ঘটনার মূল অভিযোগকারী নারীকে ফোন করলে তিনি জানান, হামলায় আহত হওয়ার পর থেকে তিনি গুরুতর অসুস্থ এবং চিকিৎসাধীন।
পুলিশের কাছে দায়ের করা অভিযোগে তিনি লেখেন, “১৮ই অক্টোবর ২০২৬ তারিখে আনুমানিক বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে বজরং দলের সঙ্গে যুক্ত একদল ব্যক্তি আমার বাড়িতে আসে। সেই সময় আমি আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে বাড়িতে উপস্থিত ছিলাম। তারা আমাদের প্রভু যিশু খ্রিস্টের প্রতি আমাদের বিশ্বাস পরিত্যাগ করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে এবং আমাদের ভয় দেখায় ও শারীরিক নির্যাতন করে।”
তার অভিযোগ, ওই দিন ‘দুষ্কৃতকারীরা’ তার মাথায় এবং কানের নিচে আঘাত করে, যার পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। সেই অবস্থায় তার পোশাক ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং শাড়ি খুলে দেওয়া হয়।
“পরবর্তীতে আমাকে তথাকথিত শুদ্ধিকরণ অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে জোরপূর্বক তারা আমাকে স্নান করায় সবার সামনে। আমার সম্মতি ছাড়া আমার পোশাক খুলে দেওয়া হয় এবং আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমাকে ওই আচার-অনুষ্ঠানে অংশ নিতে বাধ্য করা হয়।”
অভিযোগকারী নারী আরও জানান, ২০শে অক্টোবর তাকে এবং তার স্বামী-সহ মোট চারজন খ্রিস্টানকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গ্রামের একটি পুজোমণ্ডপে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের “নির্দিষ্ট ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে বাধ্য করা হয়”।
অভিযোগে তিনি লেখেন, “অভিযুক্ত ব্যক্তিরা এখনও আমাকে হুমকি দিয়ে বলছে যে আমি যদি পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করি এবং অভিযোগ দায়ের করি, তাহলে তারা আমাকে বাঁচতে দেবে না। আমি অত্যন্ত আতঙ্কিত ও মানসিকভাবে বিপর্যন্ত। আমার আশঙ্কা, যে কোনও সময় আমার বা আমার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে গুরুতর কোনও অঘটন ঘটতে পারে।”
এই নিবন্ধে Google YouTubeএর কনটেন্ট রয়েছে। কোন কিছু লোড করার আগে আমরা আপনার অনুমতি চাইছি, কারণ তারা হয়ত কুকি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে থাকতে পারে। আপনি সম্মতি দেবার আগে হয়ত Google YouTube কুকি সম্পর্কিত নীতি এবং ব্যক্তিগত বিষয়ক নীতি প়ড়ে নিতে চাইতে পারেন। এই কনটেন্ট দেখতে হলে ‘সম্মতি দিচ্ছি এবং এগোন’ বেছে নিন।
সতর্কবাণী: বিবিসির নয় এমন ওয়েবসাইটের কনটেন্টের জন্য বিবিসি দায়ী না YouTube কনটেন্টে বিজ্ঞাপন থাকতে পারে
End of YouTube post
ছবির কপিরাইট
YouTube -এ আরো দেখুনবিবিসি। বাইরের কোন সাইটের তথ্যের জন্য বিবিসি দায়বদ্ধ নয়।
‘পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব’, বলছে পুলিশ
দুই ঘটনার ক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার।
বিবিসি বাংলা পাঁশকুড়া থানার এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, তারা লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন, তবে এখনও এফআইআর (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট) দায়ের করা হয়নি।
তিনি বলেন, “অভিযোগ জমা পড়লেই যে এফআইআর দায়ের হয়, এমন নয়। আমার তদন্তকারী অফিসার বর্তমানে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। এই মুহূর্তে আমরা এর বেশি তথ্য দিতে পারব না।”
অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার ঘটনার ক্ষেত্রে ২০শে অক্টোবর এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল। খুনের চেষ্টা, একজন নারীকে বিবস্ত্র করার উদ্দেশ্যে হামলা, বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ, ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা, অপরাধমূলক ভয় দেখানো এবং নারীর শ্লীলতাহানির মতো একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়।
তবে ওই মামলার তদন্তের সঙ্গে যুক্ত এক পুলিশ অফিসার বিবিসি বাংলাকে জানান, তদন্ত চলছে, কিন্তু এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তার দাবি, এর কারণ পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাব।
তিনি বলেন, “বয়ান, মেডিক্যাল রিপোর্ট বা অন্য কোনও জমা দেওয়া নথিতে আমরা এখনও পর্যন্ত এমন পর্যাপ্ত প্রমাণ পাইনি, যার ভিত্তিতে কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়।”
তিনি জানিয়েছেন, এফআইআরে নাম থাকা ১৩ জন অভিযুক্তই স্থানীয় বাসিন্দা।
Asian News International
‘যতজন খ্রিস্টান আছেন, তাদের হিন্দু বানিয়ে দেব’
বিশ্ব হিন্দু পরিষদের পশ্চিমবঙ্গসহ কয়েকটি রাজ্যের অন্যতম একজন নেতা চন্দ্রনাথ দাস বিবিসি বাংলাকে জানান, বজরং দল এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের বিরুদ্ধে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষের উপর আক্রমণ করার যে অভিযোগ উঠে এসেছে, তা মিথ্যে। তার দাবি, তারা কোনো আক্রমণ করেন না, বা আইন নিজেদের হাতে তুলে নেন না।
তবে তিনি জানালেন, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামে গ্রামে এই সংগঠনটি ‘ধার্মিক শিক্ষার মাধ্যমে খ্রিস্টান এবং মুসলিমদের হিন্দু ধর্মে ফেরানোর অভিযান চালাচ্ছে।’
উল্লেখ্য, বজরং দল হল বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সঙ্গে যুক্ত একটি যুব সংগঠন।
“পুরো ভারতে আমাদের এই কাজ চলে, কেবল চন্দ্রকোনা বা মেদিনীপুরে নয়। পুরো পশ্চিমবঙ্গেও। আমাদের লক্ষ্য, যতজন খ্রিষ্টান আছেন, তাদের হিন্দু বানিয়ে দেব। আর তারা হয়েও যান। কেউ খ্রিস্টান হবে না, এটাই আমাদের লক্ষ্য।”
তিনি আরো জানান, ১৯৬৪ সালে যখন বিশ্ব হিন্দু পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেদিন থেকে এই সংগঠনের লক্ষ্য, ‘ধর্মান্তর রোধ করা, আমার ধর্ম থেকে কেউ চলে গেলে আমার ধর্মে ফিরিয়ে নিয়ে আসা।”
তার দাবি, তারা প্রতি বছর পশ্চিমবঙ্গে হাজার হাজার ভিন্ন ধর্মের মানুষকে ‘হিন্দু করেছেন’, ‘প্রকাশ্যে, দিবালোকে, পুলিশকে জানিয়ে।’
‘বঙ্গীয় খ্রিস্টীয় পরিষেবা’ সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা হেরোদ মল্লিক বিবিসি বাংলাকে বলছেন, “একের পর এক এই ধরণের হামলা হচ্ছে। যারা আক্রমণ করছে তারা ক্রমশ আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে হয়তো আরো বেশি করে হচ্ছে। কোথা থেকে ওরা এতো সাহস পাচ্ছে, কেন বেপরোয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না।”
তিনি অভিযোগ করছেন, সরকার তাদের আবেদনে কোনো সাড়া দিচ্ছে না বা ঘটনাগুলিতে ঠিকঠাক তদন্তও করছে না। “এই লোকগুলো যারা এই ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।”
এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টির মুখপাত্র দেবজিৎ সরকার বিবিসি বাংলাকে বলেন, বিজেপি বিধায়কদের দ্বারা পরিচালিত নতুন সরকার যে কোনো অন্যায়, যে কোনো অত্যাচারের প্রতি “জিরো টলারেন্স” নীতি নিয়েছে।
তিনি বলছেন, “যারা অত্যাচারিত মনে করছেন তারাও আইনি ব্যবস্থায় আসুন, তারা অভিযোগ করুন, আইন আইনের পথে চলবে। আমরা কাউকে কোনো রকম সাম্প্রদায়িক ‘ইমিউনিটি’ দেব না, সাম্প্রদায়িক ‘লেভারেজ’ও আমরা কারুর কাছ থেকে চাই না। কে কী আচার আচরণ করবেন, কে কী ধর্ম পালন করবেন, কে কোন সম্প্রদায়ে থাকবেন, কে কোন সম্প্রদায়ে থাকবেন না, সেটা আমরা ঠিক করিনা। … ধর্মান্তকরণ আমাদের রাষ্ট্রে স্বীকৃত নয়।”
পশ্চিম মেদিনীপুরে খ্রিষ্টান পরিবারের উপর হামলার অভিযোগে গেরুয়া শিবিরকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা কে সি বেণুগোপাল। চন্দ্রকোনায় এক নারীকে বিবস্ত্র করে ‘শুদ্ধিকরণ’ অনুষ্ঠানে বাধ্য করার অভিযোগে দোষীদের শাস্তির দাবি জানিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন তিনি।




