Source : BBC NEWS
ছবির উৎস, Elke Scholiers/Getty Images
Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
দিল্লি পুলিশের বাধা এড়িয়ে ভারতের সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে আবেদন দাখিল করলেন রাহুল গান্ধী সহ বিরোধী নেতারা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অপসারণ, কথিত ভোট চুরি রোখা ও এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে যাত্রার ডাক দিয়েছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ইন্ডিয়া ব্লক।
বিরোধী নেতাদের সেই আবেদনে সাড়া দেননি বিচারপতি সূর্য কান্ত। কিন্তু তার প্রতিক্রিয়া কিছুটা ‘উপেক্ষা’ করেই নিজেদের ঘোষিত কর্মসূচিতে অনড় থেকেছে ইন্ডিয়া জোট।
ওই মিছিল আটকানোর চেষ্টা করেছিল পুলিশ, তবে কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধ্বস্তির পরে অন্য একটি রাস্তা দিয়ে বিরোধী নেতারা সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছান।
নির্ধারিত কর্মসূচির আগে সাংবাদিক সম্মেলন করে একাধিক অভিযোগ তুলেছেন রাহুল গান্ধী, নিশানা করতে ছাড়েননি জ্ঞানেশ কুমার এবং মোদী সরকারকে।
তারপরই পাল্টা সাংবাদিক সম্মেলন করে রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করেন বিজেপির শিবরাজ সিং চৌহান। তিনি বলেন, “আসামে কংগ্রেসের অবস্থা কী? রাজস্থানে কী হয়েছে? তার আগে হিমাচলে কী হয়েছে? একের পর এক নির্বাচনে হেরে যাওয়া এবং তারপর প্রতিবাদে রাস্তায় নামা এটা কংগ্রেসের নিয়তি হয়ে গিয়েছে।”
তার অভিযোগ, ভোটে হারার ‘দায়’ কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের উপর চাপাচ্ছে। তার কথায়, “আমি আজ কংগ্রেসের মিত্রদের বলতে চাইছি, তাদের হারের কারণ নির্বাচন কমিশন নয়। কংগ্রেসের হারের কারণ তাদের দিশাহীন নেতৃত্ব।”
অন্যদিকে, দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে বসার অনুমতি না মেলায় পুলিশের কাছেই বিক্ষোভের দিন স্থির করে দেওয়ার আবেদন জানিয়েছে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (সিজেপি)। এর জন্য দিল্লি পুলিশকে ২৪ ঘণ্টার সময়ও বেঁধে দিয়েছে তারা।
আর এসবের মাঝেই দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে যন্তর মন্তর এতদিন প্রতিবাদ কর্মসূচির জন্য পরিচিত ছিল, তা সেখানে আর বিক্ষোভ কর্মসূচি হবে না। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত। তার বদলে রামলীলা ময়দান বুরারি মাঠ, পূর্ব দিল্লির সিবিডি- এই তিনটে স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে। এবার থেকে এই তিন জায়গায় কর্মসূচি পালন করা যাবে।
সরকারের এই নোটিশ প্রকাশ্যে আসার পরই সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বলেন, “যন্তর মন্তরকে প্রতিবাদ কর্মসূচির স্থলের তালিকা থেকে নরেন্দ্র মোদী সরিয়ে দিয়েছেন। প্রতিবাদ স্থল নিয়ে কোনো সমস্যা ছিল না, তার সমস্যা আসলে প্রতিবাদকে ঘিরে।”
এদিকে, শনিবারের মতো না হলেও সোমবারও দিল্লির নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল চোখে পড়ার মতো। দিল্লির ছয়টা মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন জায়গায় প্রচুর পরিমাণে পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশান ফোর্স এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স মোতায়েন করা হয়। মিছিল আটকাতে জায়গায় জায়গায় ব্যারিকেডও দেওয়া হয়।
ছবির উৎস, REUTERS/Adnan Abidi
ইন্ডিয়া ব্লকের অভিযান
নির্বাচন কমিশন এবং এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরোধিতা জানিয়ে সোমবার দুপুরে শুরু হয় ইন্ডিয়া জোটের কর্মসূচি। কনট প্লেস থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত এই অভিযানে যোগ দেন রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মমতা ব্যানার্জী, আরজেডির তেজস্বী ইয়াদভ, সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ ইয়াদভ, তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি-সহ ইন্ডিয়া জোটে সামিল দলগুলোর শীর্ষ নেতৃত্বদের মধ্যে অনেকেই। কংগ্রেস এবং অন্যান্য শরিক দলের সদস্যরাও সামিল ছিলেন।ছিলেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নেহা বোরাও।
পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী বলেন, “আমরা ন্যায় বিচার চাইছি, অন্য কিছু নয়। এটা মানুষের জন্য, মানবজাতির জন্য এবং ন্যায় বিচারের জন্য।”
সমাজবাদী পার্টির মহিবুল্লাহ নদভী বলেন, “এই লড়াই সাধারণ মানুষের এবং এটা চলবে।”

কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট বলেছেন, “গোটা দেশ রাস্তায় নেমেছে এবং রাহুল গান্ধী ও মল্লিকার্জুন খাড়গের নেতৃত্বে ইন্ডিয়া ব্লকের কর্মীরা একটাই দাবি নিয়ে সমবেত হয়েছেন- সুপ্রিম কোর্ট যেন তাদের কথা শোনে।”
ইন্ডিয়া জোটের শরিকদের বহু সমর্থক এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। কংগ্রেসের এক সমর্থক বিবিসিকে বলেন, “সংবিধানকে রক্ষা করার জন্য আমরা সবকিছু করতে রাজি আছি।”
কর্মসূচিতে বহু তরুণ-তরুণীও সামিল ছিলেন। এক তরুণী বিবিসিকে বলেন, “বাড়িতে জানিয়ে এসেছি যে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দেব। তারাও একে সমর্থন করেন।”
কনট প্লেস ও মান্ডি হাউসের মধ্যবর্তী রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের ভিড় ছিল। মাঝ পথে রাহুল গান্ধী ও ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের বাধা দেয় পুলিশ।
ছবির উৎস, Hindustan Times via Getty Images
প্রধান বিচারপতির ‘না’
ইন্ডিয়া ব্লকের তরফে সোমবার সাক্ষাতের জন্য সময় চাওয়া হলেও তা যে সম্ভব নয় তা জানিয়ে দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত।
তিনি সোমবার সাংবাদিকদের বলেছেন, “আমি গতকাল ওদের (বিরোধীদের) চিঠি পেয়েছি। গতকাল রাতেই আমি তাদের জবাব দিয়েছি। এমন কিছু কারণ জানিয়েছি যার ভিত্তিতে আমি আমার অক্ষমতা (সাক্ষাৎ না করার কথা ইঙ্গিত করে) প্রকাশ করে বলেছি যে আমি দেখা করতে পারব না।”
কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে রোববার জানিয়েছিলেন, তিনি এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে চিঠি লিখে তার সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চেয়েছেন। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) সংক্রান্ত অভিযোগ, জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করতেই সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়েছিলেন বিরোধী দলগুলোর নেতারা।
যে কোনো নাগরিক বা নির্বাচিত প্রতিনিধি আদালতের দ্বারস্থ হয়ে আইনি সহায়তা চাইতে পারেন বলে জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি।
তার কথায়, “সুপ্রিম কোর্টের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত। যে কোনো সাধারণ নাগরিক বা নির্বাচিত সদস্যের কাছ থেকে যে কোনো আবেদনকে স্বাগত জানানো হয়। প্রত্যেক ভারতীয় নাগরিকের আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার অধিকার রয়েছে, আমরা তাদের উদ্বেগ শুনব এবং আইনের অধীনে যা প্রাপ্য তা মঞ্জুর করব।”
সেখানে প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন যে সুপ্রিম কোর্টের কাছে এই ধরনের পদক্ষেপ শিষ্টাচার এবং প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে সংবিধান অনুযায়ী, বিরোধী নেতাদের চিঠিতে যে বিষয়গুলোর উল্লেখ রয়েছে তার উপর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের নেই।
তবে প্রধান বিচারপতি বলেছেন যে, সংবিধানের ৩২ নং অনুচ্ছেদ এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার মতো ক্ষমতার অধীনে সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের অধিকার-সম্পর্কিত বিষয়গুলো শুনতে ও নিষ্পত্তি করতে বাধ্য।
ছবির উৎস, AFP via Getty Images
সিজেপির ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা
সিজেপি-র অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে সোমবার জানানো হয় দলের সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং রত্না সিং দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় যাবেন।
সেই অনুযায়ী, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার অনুমতি চাইতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় পৌঁছান সিজেপি নেতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং অন্যান্যরা। সেই সময় সাংবাদিকদের মি. রাঙ্কা বলেন, “আমরা দিল্লি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করতে যাচ্ছি যে আমরা কখন যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে পারি। আমরা আশা করি পুলিশ আমাদের একটা দিন (স্থির করে) জানাবে। যদি তারা সেটা করে তাহলে আমরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্ধারিত বিক্ষোভস্থলে জড়ো হব।”
বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অনুমতি জানাতে সমস্যা কোথায় সে বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেছেন তিনি। তার কথায়, “একটা নির্ধারিত স্থানে বিক্ষোভ করতে সমস্যাটা কোথায়? দিল্লি পুলিশের উচিত আমাদের সঙ্গে কথা বলা। পুলিশ যেভাবে পুরো শহরকে অচল করে দিচ্ছে, তাতে মানুষের প্রচণ্ড অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে।”
“ব্যবসায়ীরা সমস্যায় পড়ছেন, দোকানপাট বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আর এখন উৎসবের মরসুম। সুতরাং, একটা নির্ধারিত স্থানে বিক্ষোভ করতে সমস্যাটা কী হতে পারে?”
সিজেপি-র সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস বলেন, “শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোটা একটা অধিকার…সাংবিধানিক অধিকার, এবং মানুষ ইতিমধ্যেই তা প্রয়োগ করছে। মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করবে।”
“পুলিশ সবসময় অভিযোগ করে যে আমাদের ১০ দিন আগে তাদের কাছে যেতে হবে। আমরা এখন সিদ্ধান্তটা তাদের ওপরই ছেড়ে দিচ্ছি এবং তাদের নির্দিষ্ট তারিখ ও সময় জানাতে বলছি। তবে, আমরা তাদের বিষয়টা ঝুলিয়ে রাখতে দেব না। আমরা তাদের ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেব…দেখা যাক।”
এর ঠিক একদিন আগে, অর্থাৎ রোববার সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে ও তার আরও দুই সহযোগী পুলিশি হেফাজত থেকে মুক্তি পান। শনিবার বিমান অবতরণের পরপরই এই তিনজনকে হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। বিক্ষোভে সামিল হওয়ার জন্য আসছিলেন তারা।
এই তিনজন-সহ অন্যান্য বিক্ষোভকারী, বাম ও অন্যান্য বিরোধীদলের সমর্থক এমন কী সাংবাদিকদের আটক করা নিয়েও সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে পুলিশ-প্রশাসনকে।
ছবির উৎস, Ritesh Shukla/Getty Images
‘দিল্লিকে জেলে পরিণত করা হয়েছে’
এদিকে, মিছিলের আগে সোমবার দুপুরে রাহুল গান্ধী সংবাদ সম্মেলন করেন। গত কয়েকদিনে পুলিশি ধর-পাকড়, মারধরের অভিযোগ, বিক্ষোভকারীদের বাধা দেওয়া, প্রতিবাদে সামিল হওয়া অবস্থায় আটক করা, দিল্লিগামী ট্রেন বাতিল-সহ একাধিক বিষয় নিয়ে কেন্দ্র সরকারকে কটাক্ষ করেন তিনি।
রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভোট চুরির প্রতিবাদে দিল্লিতে অনেক দিন ধরেই বিক্ষোভ চলছে, কিন্তু প্রশ্ন হলো দিল্লিকে কেন জেলে পরিণত করা হয়েছে? শহরে লোকজনকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না, ট্রেন-বাস আটকে দেওয়া হচ্ছে এবং দিল্লিকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে।”
তিনি বলেন, “সরকার একটা বড় ভুল করছে, কারণ আমরা দেশকে দেখাতে চাই যে মোদী জ্ঞানেশ কুমারকে রক্ষা করছেন। তিনি যত বেশি নিরাপত্তা পাবেন, শেষ পর্যন্ত তার নিয়ন্ত্রকের কাছে পৌঁছানোটা আমাদের জন্য তত সহজ হয়ে যাবে।”
“আমরা খবর পাচ্ছি যে পুলিশকর্মীরা ক্ষুব্ধ, কারণ তাদের যুবকদের মারধর করার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে, অথচ আরএসএস সদস্যদের অবাধ স্বাধীনতা দেওয়া হচ্ছে।”
জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের প্রসঙ্গেও একাধিক মন্তব্য করেছেন তিনি। সাংবাদিক সম্মেলনে রাহুল গান্ধীকে বলতে শোনা গিয়েছে, “প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার কেন পদত্যাগ করছেন না? বিরোধী নেতাদের আটক করা হয়েছিল। এমনটা হচ্ছে কারণ আমরা সেই একই প্রশ্ন করছি যা দু’জন নির্বাচন কমিশনার করেছিলেন।”
ছবির উৎস, ANI
“আমরা জানি জ্ঞানেশ কুমার রাতে ঘুমাতে পারেননি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আপনি রেহাই পাবেন না। এই লক্ষ লক্ষ মানুষ আপনাকে প্রশ্ন করছে এবং তারা থামবে না।”
শনিবার থেকে যে বিক্ষোভ দেখা গিয়েছে তার উদ্দেশ্য একটাই একথা জানিয়ে তিনি বলেছেন, এখানে “কোনো সমান্তরাল বিক্ষোভ হচ্ছে না।”
তার কথায়, “আপনি কোন দল বা জোটের (অংশ) তা আমরা দেখি না, এটা একটাই প্রতিবাদ। এখানে কোনো সমান্তরাল প্রতিবাদ নেই।”
সম্মেলন চলাকালীন রাহুল গান্ধী ভিন্নমতাবলম্বী বিক্ষোভকারীদের উপর পুলিশের কথিত বল প্রয়োগের কয়েকটা ভিডিও দেখান।

মেট্রো স্টেশন বন্ধ
শনিবারের মতো না হলেও কড়া নিরাপত্তা রয়েছে দিল্লি ও সংলগ্ন অঞ্চলের অনেকাংশেই। নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন সোমবার প্রায় ১০ ঘণ্টার জন্য প্যাটেল চক, জনপথ, রাজীব চক, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট এবং বারাখাম্বা রোড- এই ছয়টা মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা ছিল।
ডিএমআরসি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানানো হয়েছিল, “নিরাপত্তাজনিত কারণে, ২০২৬ সালের ১২ই অক্টোবর সকাল ছয়টা থেকে বিকাল চারটে পর্যন্ত এই মেট্রো স্টেশনগুলির প্রবেশ ও বাহির হওয়ার পথ বন্ধ থাকবে।”
এর ফলে সাধারণ মানুষকে সমস্যার মুখে পড়তে হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।




