Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: “যুব ব্যাংক’ খুলতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়’

পত্রিকা: “যুব ব্যাংক’ খুলতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়’

4
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৯ মিনিট

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুবকদের জন্য বিশেষায়িত একটি ব্যাংক খুলতে চায় যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়। বিশেষায়িত এ ব্যাংকের নাম প্রস্তাব করা হয়েছে ‘যুব ব্যাংক’।

গত ৭ মে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হকের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এক সভায় ‘যুব ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা যাচাই, ব্যাংকের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় নীতিমালা, অর্থায়ন কাঠামো ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, বাংলাদেশের অর্থনীতির আকারের তুলনায় ব্যাংকের সংখ্যা বেশি। অনেক দিন ধরেই নীতিনির্ধারক ও অর্থনীতিবিদরা ব্যাংকের সংখ্যা কমানোর কথা বলছেন। সম্প্রতি ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে আনার আলোচনা উঠেছে জাতীয় সংসদেও।

তবে এসব আলোচনার মধ্যেই নতুন ব্যাংক খুলতে চায় বাংলাদেশ সরকারের এ মন্ত্রাণলয়।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন এ প্রসঙ্গে বলেছেন, এরই মধ্যে দেশে অনেকগুলো বিশেষায়িত ব্যাংক তৈরি করা হয়েছে। এ ব্যাংকগুলোর পরিস্থিতি কী, আমরা সবাই জানি। সেগুলোকে ঠিক না করে নতুন ব্যাংক তৈরি করলে আরো বোঝা বাড়বে। যে ধরনের চাহিদার জন্য নতুন নতুন ব্যাংক খোলা হয়, সে ধরনের সুযোগ-সুবিধা তো বিদ্যমান ব্যাংকগুলোও দিতে পারে।

বণিক বার্তা

এতে বলা হয়েছে, দেশের কারাগারগুলোতে ৮৯ হাজার ৫৯২ জন বন্দির মধ্যে ৩১ হাজার ১৫০ জন মাদক-সংক্রান্ত মামলার আসামি। অর্থাৎ কারাবন্দিদের ৩৫ শতাংশ মাদকদ্রব্য-সংক্রান্ত মামলার আসামি। তাদের চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে কারা কর্তৃপক্ষ।

কারাগারে কেবল মাদকসেবী বন্দির সংখ্যাই বাড়েনি, আইনি জটিলতায় ঝুলে আছে এ সংক্রান্ত হাজারও মামলা।

মাদক মামলার আসামিদের চাপ সামলাতে এর মধ্যে বিশেষ দুটি কারাগারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এসব কারাগারে মাদকসেবী বন্দিদের রাখা হচ্ছে। একই সঙ্গে তাদের সমস্যা নিরাময়ে কারাগারে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে, দেশের কারাগারগুলোর বন্দি ধারণক্ষমতা অনেক আগেই পার হয়েছে। গত রোববার পর্যন্ত দেশের ৭৫টি কারাগারে বন্দির সংখ্যা ছিল ৮৯ হাজার ৫৯২। এর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত ২৭ হাজার, বাকি ৬২ হাজার ৫৯২ জন হাজতি।

কালের কণ্ঠ

আজ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় (এইচএসসি ও সমমান) নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩৬ শতাংশই অংশ নিচ্ছেন না, তা বলা হয়েছে এই খবরে।

প্রতিবছরই এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষায় অনেক শিক্ষার্থী নিবন্ধন (রেজিস্ট্রেশন) করেও শেষ পর্যন্ত পরীক্ষায় অংশ নেন না। তবে এ বছর পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ার এই হার অস্বাভাবিক বেশি বলে মনে করছেন শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে দুই বছর আগে (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ) এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করে একাদশ শ্রেণিতে নিবন্ধন করেছিল প্রায় ১৫ লাখ শিক্ষার্থী।

তাদের মধ্যে এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার জন্য ফরম পূরণ করেছেন প্রায় সাড়ে ৯ লাখ শিক্ষার্থী।

গত বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষা না দেওয়ার হার ছিল ২৯ শতাংশের কিছু বেশি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে হারটি প্রায় ৭ শতাংশ বেড়েছে।

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চিত্র আরও উদ্বেগজনক। এ বছর এই বোর্ডে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৪ শতাংশের বেশি পরীক্ষার জন্য ফরমই পূরণ করেননি।

প্রথম আলো

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রথম পাতার একটি খবরের শিরোনাম— Human rights commission draft retains old limits; অর্থাৎ মানবাধিকার কমিশনের আইনের খসড়া: নতুন বোতলে পুরোনো পণ্য।

এই খবরে বলা হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার যে অধ্যাদেশে মানবাধিকার কমিশন গঠন করে, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেটি অনুমোদন করেনি।

গত মে মাসে বিএনপি সরকার নতুন একটি আইনের খসড়া প্রকাশ করে। ওই খসড়া অনুযায়ী সংস্থাটি আগের মতোই অকার্যকর হয়ে থাকবে বলে আশঙ্কা করছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

২০২৫ সালে অর্ন্তবর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের তুলনায় আইনটির খসড়ায় এমন কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনা হয়েছে, যা সরকারের প্রভাবমুক্ত একটি সত্যিকারের স্বাধীন ও কার্যকর কমিশন প্রতিষ্ঠার পরিপন্থী এবং প্যারিস নীতিমালা ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

খসড়ায় ধারা ৩(২)-এ সংস্থাটি ‘সরকারের কোনো মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আওতাধীন হইবে না’ অংশটি বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে কমিশনটির স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে বলে সমালোচনা উঠে।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর যে আইন করা হয়, সেটি এবারের খসড়াতেও হুবহু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। এর ফলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা এর কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশনের স্বাধীন তদন্ত এবং ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা সংকুচিত করা হয়েছে।

খসড়া আইনের ধারা-৭ এ কমিশনার নিয়োগ বাছাই কমিটির সদস্য হিসেবে স্পিকার, দুইজন মন্ত্রী, সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে রাখা হয়েছে। এর ফলে কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারি দলের আধিপত্য ও ক্ষমতাসীন দলের প্রভাব প্রতিষ্ঠা এবং নিয়োগ-প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা ক্ষুণ্ন হওয়াসহ স্বার্থের দ্বন্দ্ব সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

টাইমস অব বাংলাদেশ

দ্য ডেইলি স্টারের প্রধান শিরোনাম— Hospitals toil with measles, dengue; অর্থাৎ হাম ও ডেঙ্গুর প্রকোপে হাসপাতালগুলো হিমশিম খাচ্ছে।

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রতিদিন ৯০০ এর বেশি হামের রোগী ভর্তি হওয়ায় সারাদেশের হাসপাতালগুলো যেখানে হিমশিম খাচ্ছে, তখন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ায় স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ওপর আরও চাপ সৃষ্টি এবং মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে সতর্ক করেছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

বিশেষ করে ঢাকার প্রধান সরকারি হাসপাতালগুলো— যেগুলো বিগত বছরগুলোতে হাজার হাজার ডেঙ্গু রোগীকে চিকিৎসাসেবা দিয়েছে, সেগুলো এখনো হামের রোগীতে ঠাসা। এর মধ্যে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বৃদ্ধি সীমিত ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি করবে এবং চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হতে পারে।

এই উদ্বেগ তীব্র হওয়ার কারণ, ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতাল গত বছর সর্বোচ্চ সংখ্যক ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা করেছিল, চলতি বছরের মার্চের মাঝামাঝি থেকে এই হাসপাতাল শুধু হামের চিকিৎসা সেবাকেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে। এটি এখন আর ডেঙ্গু রোগী ভর্তি করছে না, যার ফলে রাজধানীর অন্যান্য হাসপাতালের ওপর চাপ পড়ছে।

বছরের প্রথম ছয় মাসে হাসপাতালে যাওয়া ডেঙ্গু রোগীর ৪৮ শতাংশই ভর্তি হয়েছে জুন মাসে এবং প্রাণহানির ক্ষেত্রে এই হার ৭২ শতাংশ। ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা জোরদার করা না হলে বর্ষার ভরা মৌসুম জুলাই ও অগাস্টে রোগী ও মৃত্যুহার দুটিই আরও বাড়তে পারে বলে শঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।

দ্য ডেইলি স্টার

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার সাউথ এশিয়া সাবরিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) ঢাকা-সিলেট করিডর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প ভুগছে মূল নকশার ভুলে।

এর সঙ্গে যোগ হয়েছে প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরে বিলম্ব এবং সংশোধিত নকশা অনুমোদন না হওয়া।

ফলে মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে একের পর এক জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। এতে প্রকল্প সম্পন্ন করতে সময় ও খরচ বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

প্রকল্পে দরপত্র, বিল পরিশোধ, কর আদায় ও চুক্তি বাস্তবায়নে একাধিক আর্থিক অনিয়মও উঠে এসেছে সরকারি নিরীক্ষায়। এই আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ প্রায় ২৫০ কোটি টাকা।

২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের প্রায় ৮৯ শতাংশ সময় ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। অথচ চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি হয়েছে মাত্র ২১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ২৬ দশমিক ১৩ শতাংশ। অর্থাৎ প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৪২১ কোটি ৬৩ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, রাজধানীর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। নগরীর এলাকাভেদে পানির স্তরের ভিন্নতা রয়েছে।

ঢাকা ওয়াসার তথ্যমতে, ২০০১ সালে রাজধানীর পানির স্তর ছিল ৩৯ দশমিক ৬ মিটার। ২০২৪ সালে তা ১০৯ মিটারে গিয়ে ঠেকেছে।

ঢাকা ওয়াসার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরে গড়ে প্রায় ৩ মিটার করে রাজধানীর ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামছে।

তারা জানান, গত দুই যুগে পানির স্তর নেমে যাওয়ার চিত্র খুবই আশঙ্কাজনক।

ঢাকা ওয়াসা এখনো ভূগর্ভস্থ উৎস থেকে পানি উত্তোলন করছে ৭০ শতাংশ। আর ভূ-উপরিস্থিত উৎস থেকে উত্তোলন করছে ৩০ শতাংশ।

এদিকে, ২০৩০ সালে ঢাকা ওয়াসার এই চিত্র বদলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে কাজ শুরু করেছে নতুন সরকার।

যুগান্তর

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের ভবিষ্যৎ সম্প্রসারণের সবচেয়ে বড় প্রকল্প ‘বে-টার্মিনাল’ নিয়ে সঙ্কট তৈরি হয়েছে।

সিঙ্গাপুরের পিএসএ এবং দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় দু’টি কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণের কথা থাকলেও তা এখনো আমলাতান্ত্রিক ও কৌশলগত অনিশ্চয়তায় আটকে আছে।

বছরের পর বছর ধরে বে-টার্মিনালে শতকোটি ডলারের বৈদেশিক বিনিয়োগের কথা বলা হলেও বাস্তবে এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান তহবিল আসেনি। কেবল সমুদ্রের ঢেউ থেকে টার্মিনালকে রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ‘ব্রেকওয়াটার’ বা ঢেউপ্রতিরোধক বাঁধ নির্মাণের জন্য বিশ্বব্যাংকের একটি ঋণ বরাদ্দ অনুমোদিত হয়েছে।

সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, পিএসএ সিঙ্গাপুর জানিয়ে দিয়েছে, চ্যানেলে ন্যূনতম ১২ মিটার গভীরতা নিশ্চিত করা এবং ব্রেকওয়াটার সম্পূর্ণ নির্মিত হওয়ার পরই তারা মূল টার্মিনাল অবকাঠামোতে চূড়ান্ত বিনিয়োগ করবে।

অন্যদিকে, এনসিটির পরিচালনা ও বিনিয়োগ নিয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সাথে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি দরকষাকষি এখনো ঝুলে থাকায় তারাও বে-টার্মিনালে সহসা অর্থায়ন করছে না।

এদিকে, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর দেওয়া পূর্বাভাসের চেয়েও দ্রুতগতিতে পণ্য হ্যান্ডলিংয়ের চাপ বাড়তে থাকায় চট্টগ্রাম বন্দর এখন সক্ষমতার একেবারে শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে।

নয়া দিগন্ত

খবরটিতে বলা হয়েছে, দাম বেশি হলেও বেসরকারি উৎপাদনকারীদের বিদ্যুৎ কেনায় সরকারের আগ্রহ বেশি। গত অর্থবছরে বেসরকারি খাত থেকে বিদ্যুৎ কেনা হয়েছে প্রায় ৭২ শতাংশ।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তথ্য অনুযায়ী, বছরে ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৬২ কোটি টাকার বিদ্যুৎ কেনে সরকারের এ সংস্থা।

পিডিবি বলছে, তাদের নিজস্ব ও সরকারি কোম্পানির বিদ্যুতের দাম তুলনামূলকভাবে কম। সরকারের হাতে বিদ্যুৎ উৎপাদনের নিয়ন্ত্রণ থাকলে ভর্তুকি কম দিতে হতো।

আগামী অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৪৩ হাজার ৩০০ কোটি টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার; সরকারি অংশগ্রহণ বাড়লে যা কমে আসতে পারে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সরকারের পরিকল্পনা ছিল বিদ্যুৎ উৎপাদনে সরকারি এবং বেসরকারি অংশগ্রহণ সমান ৫০ শতাংশ হবে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখতেই এ পরিকল্পনা।

কিন্তু সে পরিকল্পনা ভেঙে দেশি-বিদেশি কোম্পানিকে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আর দেশের সরকারি খাত উপেক্ষিত থেকে গেছে।

বিগত আওয়ামী সরকার ভারতের আদানি, রিলায়েন্সের মতো বড় কোম্পানিকে উৎপাদনের সুযোগ করে দেওয়ায় বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণ বেড়েছে।

বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে পিডিবির যে আগ্রহ, সরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে তা নেই বলেও অভিযোগ রয়েছে।

দেশ রূপান্তর

চলতি বছরের সাড়ে পাঁচ মাসে কতজন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যকোণ্ডের শিকার হয়েছেন তা ওঠে এসেছে এই প্রতিবেদনে।

সারাদেশে ৫৯ রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের অর্ধেক ঘটেছে দলীয় কোন্দল এবং অন্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ ও হামলায়। খুন হওয়া নেতাকর্মীদের মধ্যে বিএনপির ৪৫ জন, জামায়াতের সাতজন এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের সাতজন।

মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) পরিসংখ্যান ও দৈনিকটির নিজস্ব তথ্য বিশ্লেষণে এমন চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, রাজনৈতিক সংঘাতে ৩০ জন প্রাণ হারিয়েছেন, তার মধ্যে ২৩ জন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।

এছাড়া, জামায়াতের রয়েছেন পাঁচজন ও আওয়ামী লীগের দুজন।

এসব সংঘাতের মধ্যে বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের কোন্দলে নিহত হয়েছেন ১৪ জন। বিএনপি ও জামায়াতের বিরোধে নিহত হয়েছেন ১১ জন; তাদের মধ্যে ছয়জন বিএনপির ও পাঁচজন জামায়াতের নেতাকর্মী।

বিএনপির সঙ্গে আওয়ামী লীগের সহিংসতায় নিহত হয়েছেন পাঁচজন। তাদের তিনজন বিএনপির ও দুজন আওয়ামী লীগের।

রাজনৈতিক সংঘাতের বাইরে অন্যান্য ঘটনায় খুন হয়েছেন ২৯ নেতাকর্মী। তাদের মধ্যে ২২ জন বিএনপির, পাঁচজন আওয়ামী লীগের এবং দুজন জামায়াতের।

আসকের তথ্য বলছে, বছরের প্রথম পাঁচ মাসে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে আহত হন দুই হাজার ৬৩৬ নেতাকর্মী।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধিসমূহ সংশোধনের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।

সরকারও চাচ্ছে আগামী এক বছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচন সম্পন্ন করতে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় বাজেট সংকুলানের কার্যক্রম হাতে নিয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

ইসি জানিয়েছে, চলতি বছরের অক্টোবর মাস থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করবে তারা।

ইউপি নির্বাচন শেষে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনগুলোর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আভাস পাওয়া গেছে।

ইত্তেফাক