Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা:’কেন পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, নানা কৌতূহল’

পত্রিকা:’কেন পিএসসি চেয়ারম্যানের পদত্যাগ, নানা কৌতূহল’

4
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

পিএসসি চেয়ারম্যানের হঠাৎ পদত্যাগের খবরে কৌতুহল ও নানা আলোচনা হচ্ছে। কাগজে বিলুপ্ত হলেও র‍্যাব নতুন নামেই থাকছে। ভরা মৌসুমেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় সারের তীব্র সঙ্কট চলছে। ঢাকা থেকে প্রকাশিত আজকের সংবাদপত্রগুলোতে এসব খবর গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া রাজনীতি, অর্থনীতি ও অপরাধসহ নানা খবর রয়েছে আজকের সংবাদপত্রগুলোতে।

খবরে বলা হচ্ছে, মেয়াদের অর্ধেক পার হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোবাশ্বের মোনেম।

গতকাল দুপুরে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন। হঠাৎ তার এই পদত্যাগে নানা আলোচনা চলছে।

ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে নিয়োগ পান মোবাশ্বের মোনেম। ২০২৪ সালের অক্টোবর থেকে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য তাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে তিনি কেন পদত্যাগ করলেন- এ নিয়ে পিএসসিতেও নানা আলোচনা রয়েছে।

বিশেষ করে দায়িত্ব নেয়ার পর পিএসসিতে বহুমুখী সংস্কারে হাত দিয়েছিলেন মোবাশ্বের মোনেম। তার বেশ কিছু উদ্যোগ সফল হয়েছে। পরীক্ষা জট কমিয়েছেন। পরীক্ষা পদ্ধতির জটিলতাও কমেছে।

আগে প্রশ্নফাঁস ও নিয়োগ নিয়ে নানা অভিযোগ থাকলেও তার সময়ে এমন অভিযোগ মেলেনি। তার এই কার্যক্রমের কারণে সুবিধাবাদী মহল একের পর এক প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে আসছিল বলে পিএসসি সূত্র জানিয়েছে।

বলা হচ্ছে, অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত সিন্ডিকেট মোবাশ্বের মোনেমের পদত্যাগের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। এই সিন্ডিকেটের তৎপরতার কারণে কিছুদিন ধরে সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সঙ্গে তার এক ধরনের বিরোধ তৈরি হয়।

মোবাশ্বের মোনেম পিএসসি’র পুরো স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিয়েছিলেন যা কর্মকর্তারা ভালোভাবে নেননি।

 মানজমিন

খবরে বলা হচ্ছে, দেশজুড়ে পাঁচ শতাধিক মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র রয়েছে। যার বেশির ভাগই সাইনবোর্ডসর্বস্ব। ন্যূনতম চিকিৎসার বালাই নেই। উলটো দিনের পর দিন বন্দি রেখে চলে মারধর।

পৈশাচিক কায়দায় মধ্যযুগীয় নির্যাতনের অভিযোগও ভূরিভূরি। চুটিয়ে চলে মাদক ব্যবসাও। রোগী ভর্তির পর নানা অজুহাতে অর্থ আদায় করা হয়।

এমনকি রোগীকে সুস্থ করে তোলার নামে অভিভাবকদের মাদক কেনার টাকা দিতেও বাধ্য করা হয়। বেশির ভাগ কেন্দ্রের প্রধান টার্গেট অর্থ হাতিয়ে নেওয়া।

এখানেই শেষ নয়, সম্পর্কের টানাপোড়েন থেকে শুরু করে সম্পত্তির বিরোধে ভাড়া খাটে নিরাময় কেন্দ্রের বিশেষ টিম। যাদের নাম ‘ক্যাচিং পার্টি’। টাকার বিনিময়ে ভালো মানুষকেও মাদকাসক্ত সাজিয়ে তারা বন্দি করে রাখে।

ফলে নিরাময় কেন্দ্র নামের এসব প্রতিষ্ঠান হয়ে উঠেছে একেকটি গোপন কারাগার। টাকার মেশিনখ্যাত এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের এমন রহস্যময় সদর-অন্দরের অবিশ্বাস্য রকম নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে অনুসন্ধানে।

যুগান্তর

‘র‍্যাব কাগজেই বিলুপ্ত, থাকছে নতুন নামে’ প্রথম আলোর শিরোনাম।

খবরে বলা হচ্ছে, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও গোপন বন্দিশালা পরিচালনার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে র‍্যাবের বিরুদ্ধে। জাতিসংঘ, গুম-সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনসহ বিভিন্ন মহল থেকে বাহিনীটি বিলুপ্ত করার দাবি ও সুপারিশ এসেছিল।

এমনকি জাতীয় নির্বাচনের আগে বিএনপিও সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাবের বিলুপ্তি চেয়েছিল। অথচ সেই বাহিনীকে বিলুপ্ত না করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন বা এসআরবি নামে রেখে দেওয়া হচ্ছে।

গত সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

সরকারের তথ্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান র‍্যাব বিলুপ্ত করে পুলিশ বাহিনীর আওতায় এসআরবি নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা হবে।

মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত আইনের খসড়া পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কাগজে ‘র‍্যাব’ বিলুপ্ত হলেও বাহিনীটির প্রাতিষ্ঠানিক ধারাবাহিকতার প্রায় সবই থাকছে। র‍্যাবের বর্তমান জনবল, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব, নথি ও অন্যান্য সম্পদ এসআরবিতে চলে যাবে।

র‍্যাবের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও নতুন ইউনিটের সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন। র‍্যাবের দায়দায়িত্ব, চুক্তি এবং পক্ষে বা বিপক্ষে চলমান মামলাও এসআরবির নামে চলবে।

প্রথম আলো

খবরে বলা হচ্ছে, আমন রোপণের ভরা মৌসুমে এক দিকে জমি প্রস্তুত ও চারা রোপণের ব্যস্ততা, অন্য দিকে প্রয়োজনীয় সার সংগ্রহ নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। সরকার নির্ধারিত দামে সার না পেয়ে তাদের এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ছুটতে হচ্ছে।

কোথাও কোথাও বাড়তি টাকা দিয়েও মিলছে না প্রয়োজনীয় সার। সারের দাবিতে লালমনিরহাটসহ বিভিন্ন এলাকায় কৃষকদের মহাসড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভে নামতে দেখা গেছে। অথচ কৃষি বিভাগ থেকে দাবি করা হচ্ছে- দেশে সারের কোনো সঙ্কট নেই, পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে।

মাঠপর্যায়ের এই বাস্তবতার সাথে সরকারি বক্তব্যের বড় ধরনের ফারাক দেখা দিয়েছে। সরকারি হিসাবে খাতাকলমে সার মজুদ থাকলেও তা কৃষকের হাতে পৌঁছানো নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

বিশেষ করে ডিএপি, টিএসপি ও এমওপির মজুদ নিরাপদ মাত্রার নিচে নেমে যাওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আমনের পরপরই শুরু হবে রবি ও বোরো মৌসুম। ফলে আগামী মার্চ পর্যন্ত দেশের কৃষির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সার সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, দেশে সার সঙ্কটের সূচনা হয়েছিল বিগত সরকারের শেষ সময়ে, যা পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে আরও ঘনীভূত হয়। তৎকালীন কৃষি সচিব সময়মতো সার আমদানির প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করায় সঙ্কট তীব্র আকার ধারণ করে।

নয়াদিগন্ত

খবরে বলা হচ্ছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রত্যাশিত স্থানীয় সরকারের নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি জোরদার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

এ নির্বাচনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির বৈঠক করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন না হওয়া স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে পর্যায়ক্রমে ভোটের আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সরকারের পরামর্শ অনুযায়ী, ইসি চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচ প্রতিষ্ঠান—ইউপি, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন, উপজেলা ও জেলা পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার কর্মপরিকল্পনা করছে।

এই পাঁচ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনের সম্ভাব্য ব্যয়ের প্রস্তাব সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের জানিয়েছে। তবে প্রথম ভোট কোন স্থানীয় সরকারের হবে, এসব বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সরকারের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, আগামী ডিসেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট আয়োজনের প্রস্ততি চলছে। নির্বাচনের সময়সূচি নির্বাচন কমিশনই নির্ধারণ করবে।

কালের কণ্ঠ

খবরে বলা হচ্ছে, প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের। সে হিসেবে আঞ্চলিক কয়েকটি আকাশ পরিবহন সংস্থার তুলনায় উল্লেখযোগ্য সম্পদভিত্তি নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে বিমান।

কিন্তু সেই শক্তির যথাযথ প্রতিফলন নেই যাত্রীসেবা ও পরিচালন দক্ষতায়। বিপুল সম্পদ ও আধুনিক ওয়াইড-বডি উড়োজাহাজের বহর থাকার পরও যুক্তরাজ্যভিত্তিক স্কাইট্র্যাক্সের সর্বশেষ মূল্যায়নে বিমান পেয়েছে ‘থ্রি স্টার’ রেটিং। সংস্থাটির আছে বড় দেনাও, যার পরিমাণ ১৩ হাজার ৭৩৩ কোটি টাকা।

স্কাইট্র্যাক্সের মতে, থ্রি স্টার রেটিং পাওয়া এয়ারলাইনসের পণ্য ও সেবার মান মোটামুটি গ্রহণযোগ্য হলেও কিছু দুর্বলতা বা অসামঞ্জস্য থাকে।

বিমানের ক্ষেত্রেও ঢাকার বিমানবন্দরে সেবা, কেবিনের পরিচ্ছন্নতা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং কর্মীদের আচরণ ও সেবায় ধারাবাহিকতার ঘাটতি রয়েছে বলে মূল্যায়নে উঠে এসেছে।

অর্থাৎ বিমানের বহর ও সম্পদের আকার বড় হলেও যাত্রী অভিজ্ঞতায় তার প্রতিফলন এখনো পুরোপুরি দেখা যাচ্ছে না।

বণিক বার্তা

খবরে বলা হচ্ছে, দেশে গত পাঁচ মাসে হাম এবং এর উপসর্গে প্রাণ হারিয়েছে নয় শর বেশি মানুষ। মৃতদের বেশির ভাগ শিশু। হামের প্রকোপ ঠেকাতে নেওয়া বিশেষ কর্মসূচিতে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।

এরপরও সংক্রমণ ও মৃত্যু পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাইয়ের প্রথমার্ধে মৃত্যু কমলেও এই নিম্নমুখী ধারা স্থায়ী হয়নি। জুলাইয়ের মাঝামাঝি আবার মৃত্যু বাড়তে শুরু করে। বিষয়টি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন জাগিয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ই মার্চ থেকে হামের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে আসছে। রোগতাত্ত্বিকভাবে এই তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৬ থেকে ১২ই জুলাই এই সপ্তাহে হাম এবং এর উপসর্গে মৃত্যু ছিল ১৭ জনের। পরের সপ্তাহে (১৩ই থেকে ১৯শে জুলাই) তা বেড়ে ৩০ জন এবং ২০ থেকে ২৬শে জুলাই ৩২ জনে দাঁড়ায়।

২৭শে জুলাই থেকে ২রা আগস্ট সাময়িকভাবে কমে ২৪ জন হলেও পরের দুই সপ্তাহে আবার বেড়ে যথাক্রমে ২৯ ও ৩৫ জনে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ও যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, সংক্রামক রোগের তথ্য বিশ্লেষণে সোমবার থেকে রবিবারকে একটি রোগতাত্ত্বিক সপ্তাহ ধরা হয়।

আজকের পত্রিকা

খবরে বলা হচ্ছে, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষ করে তুলতে-২৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব হেলথ ম্যানেজমেন্ট (বিআইএইচএম)। ২০২৩ সালের নভেম্বরে ভবনগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়।

অথচ আজ পর্যন্ত এখানে কোনো চিকিৎসকের প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয়নি। চালু করা যায়নি প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম।

এ ছাড়া জনবল কাঠামো চূড়ান্ত না হওয়ায় এই জাতীয় অবকাঠামো পড়ে আছে অরক্ষিত ও অযত্নে। অন্যদিকে দেশে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সময়োপযোগী প্রশিক্ষণের তীব্র ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, দেশে গত দুই বছরে ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ চিকিৎসক কোনো ধরনের প্রশিক্ষণ পাননি। আর যারা প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন, প্রশাসনিক ও সম্পদ সংকটের কারণে অর্জিত জ্ঞান কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারছেন না।

গত বৃহস্পতিবার সাভারের বিআইএইচএমে গিয়ে দেখা যায়, সুবিশাল বহুতল ভবন দাঁড়িয়ে থাকলেও প্রাঙ্গণজুড়ে সুনসান নীরবতা ও অযত্নের ছাপ।

প্রকল্পটিতে রয়েছে চারটি ভবন। এর মধ্যে একটি ১৪ তলা প্রধান ভবন, একটি ৯ তলা, একটি ৮ তলা এবং দুটি ৫ তলা ডরমিটরি ভবন।

জনবল নিয়োগ ছাড়াই ২০২৩ সালের ১৪ই নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন। তবে উদ্বোধনের আড়াই বছর পার হলেও এখনও কার্যক্রম শুরু হয়নি।

সমকাল

দ্য ডেইলি স্টারের শিরোনামCOVID ERA CARGO FLIGHTS: Biman failed to collect Tk 886cr in revenue অর্থাৎ ‘কোভিডকালীন কার্গো ফ্লাইটের ৮৮৬ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়েছে বিমান’।

খবরে বলা হচ্ছে, ২০২০ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে পরিচালিত চার্টার্ড কার্গো ফ্লাইটের ক্ষেত্রে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স প্রায় ৮৮৬ কোটি টাকা হারিয়েছ। কারণ কোভিডকালীন কার্যক্রম চলাকালে সংস্থাটি এই অর্থ আদায়, হিসাবভুক্ত বা দেশে ফিরিয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছিল।

করোনা মহামারির কারণে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন যখন স্থবির হয়ে পড়েছিল, তখন জাতীয় পতাকাবাহী বিমান সংস্থাটি তাদের অব্যবহৃত যাত্রীবাহী বিমানগুলোকে অস্থায়ী কার্গো বিমানে রূপান্তর করে এসব ফ্লাইট চালু করেছিল।

কিন্তু বিমানের জন্য যে বিষয়টি আর্থিকভাবে লাভজনক হওয়ার কথা ছিলো, তা শেষ পর্যন্ত একটি দায় বা বোঝা হয়ে দাঁড়াল। আর এর মধ্য দিয়ে রাজস্ব আদায়, চুক্তি ব্যবস্থাপনা ও আর্থিক তদারকির ক্ষেত্রে গুরুতর দুর্বলতা প্রকাশ পেল।

নথিপত্র থেকে দেখা যায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের অভ্যন্তরীণ তদন্তে চার্টার চুক্তিতে বড় ধরনের অসঙ্গতি, হারিয়ে যাওয়া ইনভয়েস, নথিবদ্ধ নয় এমন আয়, মওকুফ করা জরিমানা এবং বিদেশি সরকারের দেওয়া দাবি না করা প্রণোদনার মতো বিষয়গুলো উঠে এসেছে।

বিমানের গুয়াংজু রুটে সবচেয়ে গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে। ২০২৫ সালের ১৯শে মে প্রকাশিত তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গুয়াংজুভিত্তিক ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার ‘সুপারপাওয়ার লজিস্টিকস কোং লিমিটেড’ (এসপিএল)-এর পরিচালনায় একই ফ্লাইটের জন্য দুটি ভিন্ন চুক্তিপত্র রয়েছে।

দ্য ডেইলি স্টার

নিউ এইজের শিরোনাম ‘Most reform pledges for admin ignored’ অর্থাৎ ‘প্রশাসন সংক্রান্ত সংস্কারের অধিকাংশ প্রতিশ্রুতি উপেক্ষা করা হয়েছে’।

খবরে বলা হচ্ছে, ক্ষমতা গ্রহণের ছয় মাসের মাথায় জনপ্রশাসনে নিয়োগ, বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত মেধার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্যের দ্বারা বেশি প্রভাবিত বলে মনে হচ্ছে।

শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনামলে দীর্ঘ দেড় দশক ধরে রাজনৈতিকীকরণের অভিযোগে অভিযুক্ত জনপ্রশাসনে পেশাদারিত্ব, মেধা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতিসহ নানা অঙ্গীকার নিয়ে ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে জয়লাভ করে বিএনপি ক্ষমতায় আসে।

২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার পর, প্রত্যাশা ছিল ১৫ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের ধ্বংসস্তূপের ওপর গড়ে ওঠা নতুন প্রশাসন অতীতের ধারা থেকে বেরিয়ে আসবে।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সেই রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে একটি ‘জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন’ গঠন করেছিল। মেধাভিত্তিক প্রশাসন গড়ে তোলার লক্ষ্যে এর অধিকাংশ সুপারিশের বিষয়ে বিএনপি নিজেও সম্মতি জানিয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর বিএনপি তা বাস্তবায়ন করেনি।

নিউ এইজ