Home LATEST NEWS BANGLA ঝুঁকি থাকার পর কেন পুরুষেরা লিঙ্গের আকার বাড়াতে ফিলার নিচ্ছেন?

ঝুঁকি থাকার পর কেন পুরুষেরা লিঙ্গের আকার বাড়াতে ফিলার নিচ্ছেন?

3
0

Source : BBC NEWS

বিছানার কিনারায় বসে আছেন সাদা অন্তর্বাস পরা একজন পুরুষ

ছবির উৎস, Getty Images

জেসন একটি ‘কোক ক্যান’ চাননি – অতিরিক্ত ফিলার দিয়ে এতটাই বড় করা পেনিসকে এই নাম দেওয়া হয়, কারণ সেটি দেখতে ছোট আকারের পানীয়ের ক্যানের মতো লাগে।

ম্যানচেস্টারে দেখা হলে জেসন আমাকে বলেন, “কিছু মানুষ সত্যিই খুব বাড়াবাড়ি করে ফেলেন।”

এই প্রক্রিয়ার ফলে তার পেনিস বা লিঙ্গের পরিধি ১৬ শতাংশ বেড়েছে। তিনি এবং তার সঙ্গী উভয়েই এতে বেশ সন্তুষ্ট।

তিনি বলেন, এতে তার “আত্মবিশ্বাস বেড়েছে”।

জেসন ব্যাখ্যা করেন, “সবকিছু এখনো স্বাভাবিকভাবেই কাজ করে”, শুধু “ওই সামান্য বাড়তি প্রস্থটা” এসেছে।

জেসনের মতো কতজন পুরুষ পেনিস ফিলার নিচ্ছেন, তা স্পষ্ট নয়।

আর বিষয়টি অনেক বেশি ব্যক্তিগত। ঠোঁটে ফিলার নেওয়ার জনপ্রিয়তা যেমন চোখে দেখা যায়, এটি তেমন নয়। রাস্তায় হাঁটলে তা বোঝার কোনো উপায় নেই।

এ বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ খুবই সীমিত এবং কোনো আনুষ্ঠানিক নথিও নেই, কারণ যে কেউ এই সেবা দেওয়া শুরু করতে পারেন।

সর্বশেষ শীতকালীন অলিম্পিকেও পেনিস ফিলার একটি অদ্ভুত ষড়যন্ত্র তত্ত্বের বিষয় হয়ে ওঠে।

গুজব ছিল, পুরুষ স্কি-জাম্পাররা নাকি তাদের পোশাকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বাড়াতে ফিলার ব্যবহার করছেন, যাতে তারা আরও দূরে লাফ দিতে পারেন।

তবে কিছু পুরুষের ক্ষেত্রে ব্যর্থ প্রক্রিয়ার পর পুরুষাঙ্গ কালো হয়ে যাওয়া এবং ত্বক ‘খসে পড়ার’ মতো অবস্থায় জরুরি বিভাগে যেতে হয়েছে।

এবং ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জনস এই ধরনের প্রক্রিয়া গ্রহণকারী পুরুষদের জন্য সতর্কবার্তা দিয়েছে।

তাহলে পুরুষেরা কেন এটি করছেন এবং এর ঝুঁকিগুলো কী?

জেসন তার ফিলার নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের সঙ্গে খোলামেলা কথা বলেছেন, যদিও তিনি নাম প্রকাশ করতে চাননি।

তিনি তার পেনিসের দৈর্ঘ্য নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলেন, তবে তিনি ‘আরও কিছুটা সামঞ্জস্য’ এবং ‘সুন্দর ভারসাম্যপূর্ণ অবয়ব’ পাওয়ার জন্য বেশি পরিধি চেয়েছিলেন।

জেসন বলেন, “যদি মনে হয় একটু কমতি আছে, তাহলে কেন নয়?”

তিনি এক বছর ধরে বিভিন্ন বিকল্প বিবেচনা করেছেন এবং অস্ত্রোপচার করানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করেন।

তিনি হায়ালুরোনিক অ্যাসিড নামে এক ধরনের ফিলার বেছে নেন, যা সাময়িক।

ফলে জেসন জানতেন, পরিবর্তনটি যদি তার একেবারেই অপছন্দ হয়, তবুও সেটি “একসময় নিজে থেকেই গলে যাবে”।

জেসনের এই সিদ্ধান্ত কোনো দম্ভপূর্ণ অতিপুরুষালি মানসিকতা থেকে আসেনি; “লিঙ্গ যত বড়, মানুষও তত বড়” এই ধারণায়ও তিনি বিশ্বাস করেন না।

বরং তার মতে, পুরুষদের সৌন্দর্য সম্পর্কে সামাজিক প্রত্যাশা বদলে গেছে।

তিনি বলেন, “শুধু নারীদেরই নয়, পুরুষদেরও এখন তাল মিলিয়ে চলতে হয়।”

“সমাজই বদলাচ্ছে। আমার মনে হয়, গণমাধ্যম যেভাবে সবকিছু তুলে ধরে, তা এখন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বিশাল প্রভাব ফেলে। এমন কোনো জায়গা নেই, যেখানে আপনি নিখুঁত চেহারার কারও ছবি না দেখেই যেতে পারেন।”

পেনিস বড় করার সেবা দেওয়া বিভিন্ন ক্লিনিকের ওয়েবসাইট ঘাঁটলে দেখা যায়, তারা এমন প্রশ্ন করে, “আপনি কি আপনার পেনিসের আকার নিয়ে বিব্রত?”

এ থেকেই বোঝা যায়, কীভাবে কিছু প্রতিষ্ঠান মানুষের অনিরাপত্তাবোধকে কাজে লাগায়।

লিঙ্গের আকার বা গঠন পরিবর্তনের নানা পদ্ধতি রয়েছে।

এর মধ্যে অস্ত্রোপচারভিত্তিক ও অস্ত্রোপচারবিহীন উভয় ধরনের পদ্ধতি রয়েছে এবং লিঙ্গে বিভিন্ন ধরনের উপাদান ইনজেকশনও দেওয়া হয়।

সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি হলো জেল-সদৃশ পদার্থ হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ইনজেকশন দেওয়া। ঠোঁটের ফিলারেও এটি প্রধান উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

হায়ালুরোনিক অ্যাসিড শরীরে স্বাভাবিকভাবেই থাকা একটি শর্করা অণু। এটি পানিকে আকর্ষণ করে ধরে রাখার ক্ষমতার কারণে ‘আর্দ্রতার চুম্বক’ নামে পরিচিত।

ছবিতে ঘরের ভেতরে কেন্দ্রীয় অবস্থানে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তোলা প্রতিকৃতি দেখা যাচ্ছে। তিনি গাঢ় রঙের বোতামযুক্ত শার্টের ওপর টেক্সচারযুক্ত ধূসর ব্লেজার পরেছেন এবং সরাসরি ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন। পেছনের অংশ ঝাপসা, যেখানে আধুনিক অফিস, ক্লিনিক বা পরামর্শকক্ষের মতো পরিবেশ দেখা যায়। সেখানে তাক, ফ্রেমে বাঁধানো সামগ্রী এবং ছোট ছোট বিভিন্ন বস্তু রয়েছে।

ছবির উৎস, BBC/James Gallagher

ডা. জাভেদ হুসেইন গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রেস্টউইচে তার ক্লিনিকে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে পেনিস ফিলার দিচ্ছেন।

তিনি চিকিৎসক হিসেবে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন, পরে কসমেটিক চিকিৎসার দিকে আসেন। তবে আইনগতভাবে পেনিস ফিলার দেওয়ার জন্য চিকিৎসা প্রশিক্ষণের প্রয়োজন নেই।

তার মতে, চাহিদা বাড়ছে। তিনি সব বয়সী পুরুষদের চিকিৎসা করেছেন।

কেউ মধ্য বিশের কোঠায়, আবার তার সবচেয়ে বয়স্ক গ্রাহকের বয়স ৭২ বছর।

প্রক্রিয়াটি শুরু হয় রোগীর স্বাস্থ্য, এটি কেন করাতে চান, ফলাফল সম্পর্কে প্রত্যাশা এবং ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা দিয়ে।

এরপর নির্ধারিত দিনে লিঙ্গের তিনটি স্থানে হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ইনজেকশন দেওয়া হয়। একটি ওপরে এবং দুটি দুই পাশে।

এটি একটি ক্যানুলার মাধ্যমে প্রবেশ করানো হয়, যা গোড়া দিয়ে ঢুকে অঙ্গটির শ্যাফটের পুরো দৈর্ঘ্য বরাবর এগিয়ে যায়।

ছবিতে একটি পরিষ্কার সাদা পৃষ্ঠের ওপর সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো চিকিৎসাসামগ্রী দেখা যাচ্ছে। বাম পাশে কয়েকটি আলাদাভাবে মোড়ানো ক্যানুলা এবং ডান পাশে স্বচ্ছ প্লাস্টিক ট্রের মধ্যে একটি বড় সিরিঞ্জ রাখা আছে। মাঝখান দিয়ে একটি মাপার ফিতা অনুভূমিকভাবে বিস্তৃত। নিচের দিকে শোষণক্ষম প্যাড বা ড্রেসিং থাকা একটি ট্রেও দেখা যায়।

ছবির উৎস, BBC/James Gallagher

এরপর ফিলার সমানভাবে ছড়িয়ে দিতে তা ম্যাসাজ করা হয় এবং রোগী বাড়িতেও এই প্রক্রিয়া চালিয়ে যান।

এই প্রক্রিয়ায় খরচ হতে পারে সর্বোচ্চ তিন হাজার ৫০০ পাউন্ড পর্যন্ত। এক পাউন্ড সমান ১৬৬ টাকার হিসাবে এর পরিমাণ দাঁড়ায় পাঁচ লাখ ৮১ হাজার টাকার ওপরে।

হুসেইনের মতে, এতে ছয় থেকে নয় মাসের জন্য ১০ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি পরিধি পাওয়া যেতে পারে।

তবে ঝুঁকিও রয়েছে। এর মধ্যে তুলনামূলক কম গুরুতর ঝুঁকি যেমন ব্যথা, কালশিটে দাগ এবং অসমভাবে ফিলার ছড়িয়ে যাওয়া রয়েছে। পাশাপাশি সংক্রমণের মতো গুরুতর জটিলতাও হতে পারে।

ফিলার ব্যবহৃত সব ধরনের প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রেই এসব ঝুঁকি প্রযোজ্য।

তবে আরও একটি ঝুঁকি হলো, লিঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ গঠন ও রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যা উত্থানের জন্য প্রয়োজনীয়।

এ ধরনের প্রক্রিয়া নিয়ে সার্জনদের উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও কেন তিনি এটি চালিয়ে যাচ্ছেন- জানতে চাইলে হুসেইন বলেন, তিনি “পুরোপুরি বুঝতে পারেন” কেন অনেকে উদ্বিগ্ন।

“এই দুশ্চিন্তা যথার্থ কারণ থেকেই আসে”, তিনি বলেন, “কিন্তু একই সঙ্গে আরও বেশি প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, আমরা ফলাফলও দেখছি” এবং “পুরুষদের জন্য এতে এক ধরনের উপকার রয়েছে”।

হুসেইনের মতে, কোনো সমস্যা হলে দ্রুত ফিলার গলিয়ে দেওয়ার ওষুধসহ তার একটি ‘তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা পরিকল্পনা’ রয়েছে।

তিনি জানান, “সৌভাগ্যবশত, আমাদের কখনো এটি ব্যবহার করতে হয়নি”, যদিও বিবিসি স্বাধীনভাবে এ দাবি যাচাই করতে পারেনি।

তবে তিনি এমন একজন রোগীর কথা স্মরণ করেন, যিনি অন্যত্র চিকিৎসা নেওয়ার পর তার কাছে পরামর্শের জন্য এসেছিলেন এবং যেখানে বিষয়টি “খুবই খারাপভাবে” ঘটেছিল।

তার মতে, সেখানে ভুল ধরনের ফিলার ব্যবহার করা হয়েছিল এবং “লিঙ্গ কালো হতে শুরু করেছিল” কারণ পদ্ধতিটি রক্তনালিগুলো ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল এবং ত্বক মারা যাচ্ছিল।

ওই ব্যক্তিকে সরাসরি জরুরি বিভাগে পাঠানো হয়।

ছবিতে খোলা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকা একজন ব্যক্তির কাছ থেকে তোলা প্রতিকৃতি দেখা যাচ্ছে। তিনি টিল বা নীলচে-সবুজ রঙের ভি-নেক চিকিৎসাকর্মীদের পোশাক পরেছেন। সামনের ব্যক্তিটি স্পষ্ট ফোকাসে থাকলেও পেছনের অংশ ঝাপসা। সেখানে ঘাসের এলাকা, গাছপালা, একটি আধুনিক ভবন এবং কয়েকজন মানুষসহ একটি বাসস্টপ বা আশ্রয়কেন্দ্রের মতো কাঠামো দেখা যায়।

ছবির উৎস, BBC/James Gallagher

ম্যানচেস্টারে যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস বা এনএইচএস-এর অ্যান্ড্রোলজিস্ট এবং পরামর্শক ইউরোলজিক্যাল সার্জন প্রফেসর বৈভব মোদগিল হাসপাতালে এমন রোগী দেখেছেন, যারা লিঙ্গের আকার পরিবর্তনের প্রক্রিয়া ব্যর্থ হওয়ার পর ভর্তি হয়েছেন।

তিনি বলেন, “যখন এমনটা ঘটে, তখন রোগীর জন্য তা বিধ্বংসী হতে পারে।”

তিনি এমন রোগীদের কথা স্মরণ করেন, যাদের ক্ষেত্রে “ত্বকের নেক্রোসিস” হয়েছিল। অর্থাৎ ত্বকের কোনো অংশ মারা গিয়ে খুব কালো হয়ে যায় এবং পরে খসে পড়তে শুরু করে।

তিনি বলেন, “পুরুষেরা হয়তো ভাবেন- ‘দারুণ হবে’, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা আগের চেয়েও বেশি অসন্তুষ্ট হয়ে যেতে পারেন।”

নিজের প্রকৃত নাম প্রকাশ করতে না চাওয়া অ্যালেক্স ভিন্ন ধরনের একটি লিঙ্গ-বর্ধন প্রক্রিয়ার জন্য জার্মানিতে গিয়েছিলেন।

তিনি এমন একটি অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন, যাতে লিঙ্গকে জননাঙ্গের হাড়ের সঙ্গে যুক্ত রাখা লিগামেন্ট কেটে দেওয়া হয়, ফলে সেটি দেখতে আরও লম্বা লাগে।

এ ছাড়া তার শরীর থেকে চর্বিকোষ সংগ্রহ করে লিঙ্গে ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল, যাতে সেটি বড় দেখায়।

অস্ত্রোপচারের পর ঘুম ভাঙতেই তিনি এত তীব্র ব্যথা অনুভব করেছিলেন যে দাঁড়াতেও পারছিলেন না।

তিনি বলেন, “আমার শরীরে প্রচুর কালশিটে পড়েছিল এবং উরুর ওপরের অংশ পুরো হলুদ হয়ে গিয়েছিল। প্রায় এক মাস আমি ঠিকমতো হাঁটতে পারিনি।”

পরে মোদগিলের ক্লিনিকে তার চিকিৎসা হয় এবং শেষ পর্যন্ত তাকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়।

অ্যালেক্স বলেন, “অনেক মানুষ সেই সৌভাগ্য পান না। আমি ভাগ্যবান ছিলাম।”

অ্যালেক্সের মতে, আগে নিজের লিঙ্গকে তার কাছে “কখনোই ছোট মনে হতো না”, কিন্তু সমাজ এবং পর্নোগ্রাফি তাকে বিশ্বাস করিয়েছিল যে বড় লিঙ্গই “পুরুষালি এবং সবচেয়ে ভালো”।

একজন যুবক নিজের অন্তর্বাসের দিকে তাকিয়ে আছে

ছবির উৎস, Getty Images

মোদগিল বলেন, অনলাইন অনুসন্ধান প্রবণতা, বিজ্ঞাপন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সবই “ইঙ্গিত করে যে সংখ্যা বাড়ছে”, যদিও কতজন পেনাইল এনহান্সমেন্ট বা লিঙ্গের আকার বড় করার প্রক্রিয়া করাচ্ছেন সে বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব নেই।

এ কারণে ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জনস এ ধরনের প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে নতুন সুপারিশ প্রকাশ করেছে।

মোদগিল বলেন, “আমরা সম্প্রতি যে নির্দেশিকা তৈরি করেছি, সেখানে মূলত বলা হয়েছে যে এসব প্রক্রিয়ার পক্ষে আমরা সুপারিশ করতে পারি না, কারণ প্রমাণ এতই দুর্বল।”

সংগঠনটি তিন হাজার ৭৫০ জন পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা ৩৬টি গবেষণা পর্যালোচনা করেছে।

তবুও তারা বলেছে, এসব প্রক্রিয়ার “নিরাপত্তা প্রোফাইল” কী, তা এখনো স্পষ্ট নয়।

এর একটি কারণ হলো, দীর্ঘমেয়াদে ফিলার পেনিসে কী প্রভাব ফেলে সে বিষয়ে তথ্যের অভাব।

এ ছাড়া উদ্বেগের বিষয় হলো, ঠোঁটের ফিলারের মতো এখানেও এই প্রক্রিয়া সম্পাদনের জন্য কোনো আনুষ্ঠানিক যোগ্যতার প্রয়োজন নেই।

মোদগিলের মতে, সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়াটা “সম্ভবত অতিরিক্ত কঠোর” ব্যবস্থা হবে। তবে এই প্রক্রিয়া যদি চলতেই থাকে, তাহলে শিল্পখাতটির “ব্যাপকভাবে নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন”।

তিনি একটি জাতীয় নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছেন, যেখানে পেনিস ফিলার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার তথ্য নথিভুক্ত থাকবে।

একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি তথ্য সংগ্রহেরও আহ্বান জানান, যাতে পুরুষেরা ঝুঁকি ও উপকারিতা সম্পর্কে জেনে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

জেসনের ধারণা, বর্তমান ফিলারের প্রভাব শেষ হয়ে গেলে তিনি আবারও এটি করাবেন।

‘ইনসাইড হেলথ ‘অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করেছেন জেরি হল্ট।