Source : BBC NEWS

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নির্বাচিত হওয়া এবং আজ তার শপথ সংক্রান্ত খবর আজ শুক্রবার ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সব পত্রিকার প্রথম পাতায় গুরুত্ব পেয়েছে।
এই খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর সরাসরি ভোটাভুটিতে ২৫৫ ভোট পেয়ে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তিনি শপথগ্রহণ করবেন। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ ৮৮ ভোট পেয়েছেন।
এই নির্বাচনে ছয়জন সংসদ সদস্য তাদের ভোট দেননি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণের আভাস পাওয়া গেছে। আজ শুক্রবার বা আগামীকাল শনিবার যে কোনো সময় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
ইতোমধ্যে কয়েকটি গাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় রদবদল ও সম্প্রসারণসহ ছয় থেকে সাতজনের জায়গা হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র বলছে, এবার মন্ত্রিসভায় বিএনপির সিনিয়ররা এবং জোটের নেতাদের মধ্য থেকে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা বলেছেন, মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের জন্য তিন থেকে পাঁচটি গাড়ি, শপথের ফোল্ডার, দাওয়াতপত্রসহ সব প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানের পরপরই মন্ত্রিসভার নতুন সদস্যদের শপথ হতে পারে বলে জানান তিনি।

এই খবরে বলা হয়েছে, সরকারের সব নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে নেওয়া হলেও রাষ্ট্রপতির স্বাধীন ক্ষমতা খুবই সীমিত।
বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ছাড়া রাষ্ট্রপতিকে অন্য যেকোনো কাজ করতে হয় প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী।
রাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য আনতে প্রধানমন্ত্রীর একচ্ছত্র ক্ষমতা কমানো এবং কিছু ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু সংস্কার প্রস্তাব ছিল জুলাই সনদে।
তবে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাসেও সেই সনদ বাস্তবায়িত হয়নি।
অবশ্য ক্ষমতাসীন বিএনপি বলেছে, যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ সই হয়েছে, তারা সেভাবে বাস্তবায়ন করবে; সে অনুযায়ী সংবিধান সংশোধন করবে।
বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারেও বলেছে, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতায় ভারসাম্য আনা হবে। তবে কীভাবে এটি করা হবে, তার বিস্তারিত সেখানে উল্লেখ করা হয়নি।
এদিকে, গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদে আমরা যেভাবে একমত হয়েছি, সেভাবে ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধিত হয়ে যাবে, তার পরবর্তী সময়ে যখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে, তখন সেই ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারেই হবে।’

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দেশে প্রায় এক মাস ধরে গ্যাস সংকট অব্যাহত থাকায় দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোর অনেক কারখানায় রাতে কাজ করছেন শ্রমিকরা।
কারণ, দিনে গ্যাসের চাপ কমে গেলেও কোথাও কোথাও রাতে গ্যাস মিলছে। কোথার আবার তিন শিফট করে কারখানা চালু রাখার চেষ্টা চলছে। যখনই গ্যাস আসে, তখনই যাতে কাজ চলে।
গ্যাস সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে টেক্সটাইল ও সুতা তৈরির কারখানাগুলো।
গ্যাস সংকটের কারণে শিল্পাঞ্চলে কারখানায় ছুটি ও উৎপাদন কমে যাওয়ার ঘটনায় শ্রমিকদের মধ্যে কাজ হারানোর আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসীম উদ্দিন বলেছেন, ‘শ্রমিকদের পক্ষ থেকে এ ধরনের আশঙ্কা আছে কিন্তু আমাদের জানামতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সরকারের উদ্যোগ রয়েছে।’
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল অবশ্য বলছেন, ‘শ্রমিকের কর্মচ্যুতির আশঙ্কা বাস্তবেই তৈরি হয়েছে। প্রতিদিনই আমরা লে-অফের চিঠি পাচ্ছি। কাজেই অনেক শ্রমিকের কর্মচ্যুতি হবে।’
তিনি জানান, গ্যাস সংকটের কারণে তাদের সংগঠনের এক হাজার ৮৫০টির মধ্যে ৯০০ কারখানায় উৎপাদন বন্ধ।

এই খবরে বলা হয়েছে, গ্যাস সংকটে কমেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। এর মধ্যে বেড়েছে গরম। ফলে দেশজুড়ে লোডশেডিং বেড়েছে। রাজধানীসহ বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষোভ বাড়ছে মানুষের মধ্যে।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের হিসাব অনুযায়ী, গত বুধবার রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল দুই হাজার ২৬৬ মেগাওয়াট। রাতে আর সকালের দিকে ঘাটতি কিছুটা কমলেও গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের পর আবার বাড়ে। বিকেল ৩টায় লোডশেডিং ছিল এক হাজার ৭৭৪ মেগাওয়াট। রাত ৮টায় তা হয় এক হাজার ৫৯৮ মেগাওয়াট।
তবে বিতরণ কোম্পানি সূত্রে জানা গেছে বাস্তবে লোডশেডিং আরও বেশি।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতাসীন দল বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণার পরপরই রুহুল কবীর রিজভীকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব করা হয়।
১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর্যন্ত আটজন পূর্ণাঙ্গ ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব পেয়েছে দলটি।

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, কোনো বহুপাক্ষিক ফোরামের সাইডলাইনে সাক্ষাতের আগে তারেক রহমান ও নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে অগ্রাধিকার দিচ্ছে ঢাকা।
প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হুমায়ুন কবির বলেন, ‘প্রথম সফরটি দ্বিপাক্ষিক হওয়া উচিত। এটি মর্যাদার বিষয়। প্রথম সফরটি কেন ব্রিকসের আওতায় হতে হবে?’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে বাংলাদেশের সরকারপ্রধান তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফরের ক্ষেত্রে কোনো চ্যালেঞ্জ আছে কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বললেন, যেকোনো আমন্ত্রণ বিবেচনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ তার জাতীয় স্বার্থ এবং ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিকে বিবেচনায় রাখবে।
এদিকে, আগামী সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দেওয়ার আগে তারেক রহমান ভারত সফর করবেন কি না— এমন প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির বলেন, আগেও হতে পারে, আবার পরেও হতে পারে। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থই এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

এতে বলা হয়েছে, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত ঢাকা – চট্টগ্রাম মহাসড়কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ক্যামেরা চালুর প্রথম দিন গত মঙ্গলবার ৪৪৬টি মামলা হয়। দ্বিতীয় দিন বুধবার মামলা হয়েছে মাত্র ৪২টি।
অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানেই মামলা কমে দশভাগের এক ভাগে নেমে এসেছে।
অতিরিক্ত গতি ও উল্টো পথে গাড়ি চালানো— এই দুই কারণে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই মামলাগুলো হয়েছে। এর ভিত্তিতে মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরা নিয়ে আশাবাদী হচ্ছেন পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
পুলিশ কর্তৃপক্ষ বলছে, মহাসড়কে এআই প্রযুক্তির ক্যামেরা স্থাপন করার ফলে চালকদের মধ্যে শৃঙ্খলার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি বলছে, মামলা ও জরিমানা এড়াতে চালকেরা এখন থেকে আরও বেশি সতর্ক হচ্ছেন।

টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Bangladesh missing jute’s golden opportunity; অর্থাৎ পাটের সোনালি সুযোগ হারাচ্ছে বাংলাদেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, স্বাধীনতার আগে বৈদেশিক আয়ের সবচেয়ে বড় ভরসা ছিল পাট। এই ‘সোনালি আঁশ’ দেশের শিল্পখাত, মানুষের কাজ এবং বিদেশে পণ্য পাঠানোর পথ তৈরি করে দিয়েছিল।
কিন্তু গত শতাব্দীর আটের দশকের পর বাজারে কৃত্রিম প্লাস্টিকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণে পাটের সেই দিন ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসে।
তবে বর্তমান সময়ে পরিবেশের ক্ষতি করে না এমন পরিবেশবান্ধব জিনিসপত্র, যেমন পাটের ব্যাগ, জিও-টেক্সটাইল, ঘরের সুতি কাপড় ও বিভিন্ন গৃহসজ্জার পণ্যের চাহিদা বিশ্বে হু হু করে বাড়ছে।
তবে নতুন নতুন পাটজাত পণ্য তৈরি করা সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের অবস্থান শক্ত হয়নি।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ বছরের হিসাবে বাংলাদেশ পাট এবং পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে ৮৮ কোটি ৩৬ লাখ ৯০ হাজার ডলার আয় করেছে, যা আগের বছরের চেয়ে সাত দশমিক সাত শতাংশের মতো বেশি।
তবে এই বাড়তি আয়ের সিংহভাগই এসেছে কেবল পাটের সুতা রপ্তানি করে। অন্যদিকে, আসল কাঁচা পাট রপ্তানির পরিমাণ প্রায় এগারো দশমিক ছয় শতাংশ কমে গেছে।
এই খাতের সঙ্গে যুক্ত অভিজ্ঞরা মনে করেন, ঘন ঘন সরকারি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন, কারখানায় জিনিস তৈরির বাড়তি খরচ, মাথার ওপর ঋণের চাপ, পুরনো সব যন্ত্রপাতি এবং সাধারণ পণ্যের বাইরে নতুন বৈচিত্র্যময় জিনিস তৈরি করতে না পারাই এই খাতের পিছিয়ে পড়ার প্রধান কারণ।

দ্য ডেইলি স্টারের প্রথম পাতার শিরোনাম— Rohingya crisis a toll on economy and environment; অর্থাৎ রোহিঙ্গা সংকট দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করছে। বাংলাদেশের সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই কথা বলেছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ অডিটোরিয়ামে ক্যাপস্টোন কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট দেশের পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি করছে। একই সঙ্গে সংকটপূর্ণ এলাকাগুলোতে মাদক, চোরাচালানসহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও ঘটছে।
দেশের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে সেনাপ্রধান আরও বলেন, বাংলাদেশকে সীমান্তসংক্রান্ত সমস্যা, প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যু, পার্বত্য চট্টগ্রামে সশস্ত্র তৎপরতা এবং জ্বালানি সংকটের মতো বিষয়ও মোকাবেলা করতে হচ্ছে।
এসব সমস্যা একদিনে সমাধান করা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করেন জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

খবরটিতে বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান গ্যাসসঙ্কট মোকাবেলায় দেশের পুরনো গ্যাসত্রেগুলোর গভীর স্তরে নতুন গ্যাসের সন্ধানে জোরালো অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।
প্রচলিত উৎপাদনশীল স্তরের নিচে সম্ভাব্য গ্যাসাধার খুঁজে বের করতে নেওয়া হচ্ছে গভীর ও উচ্চঝুঁকির কূপখননের উদ্যোগ।
পেট্রোবাংলা ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গভীর গ্যাস অনুসন্ধানের পরিকল্পনায় অন্তত চারটি কূপ— তিতাস-৩১, বাখরাবাদ-১১, শ্রীকাইল-১ ও মোবারকপুর-১ বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ভূগর্ভের উচ্চচাপ ও উচ্চতাপমাত্রার অঞ্চল। এসব স্তর নিরাপদে অতিক্রম করে সম্ভাব্য গ্যাসসমৃদ্ধ আধারে পৌঁছাতে প্রয়োজন হবে বিশেষায়িত প্রযুক্তি, সরঞ্জাম ও কঠোর চাপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা।





