Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে ৫০ জনের বেশি বাংলাদেশির মৃত্যু’

পত্রিকা: ‘রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে ৫০ জনের বেশি বাংলাদেশির মৃত্যু’

4
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান শিরোনাম— Job dreams to battlefields: Over 50 Bangladeshis killed fighting for Russia; অর্থাৎ স্বপ্নের চাকরি থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে: রাশিয়ার হয়ে লড়তে গিয়ে ৫০ জনের বেশি বাংলাদেশির মৃত্যু।

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ায় ভালো বেতনের চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বাংলাদেশি তরুণদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে ফাঁদে ফেলে তাদের ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যে অনেকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, অনেকে আহত হয়েছেন। অনেক পরিবার তাদের প্রিয়জন বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন– তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।

পুলিশের গোয়েন্দা সূত্রের ধারণা, গত চার বছরে রুশ বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গিয়ে ৫০ জনের বেশি বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন।

নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা আশঙ্কা করছেন, নিহতের সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ পর্যন্ত হতে পারে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো নির্দিষ্ট পরিসংখ্যান নেই।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ায় বেসামরিক কাজের কথা বলে নিয়ে যাওয়া ৩০ বাংলাদেশিকে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়েছিল। তাদের মধ্যে ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ১৭ জনই একটি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারান। দুজন পালিয়ে দেশে ফিরে চিকিৎসা নিয়েছেন, দুজন এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং ছয়জন এখনো যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Growth trap, 16-year high inflation projection signal deepening crisis, economists warn; অর্থাৎ প্রবৃদ্ধির ফাঁদ ও ১৬ বছরে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতির পূর্বাভাস গভীর সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে, অর্থনীতিবিদদের সতর্কবার্তা।

এতে বলা হয়েছে, প্রবৃদ্ধি কম, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির দুর্বলতার এক দুষ্টচক্রে আটকা পড়েছে বাংলাদেশ। কার্যকর প্রশাসনিক সংস্কার ছাড়া এই চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব নয় বলে সতর্ক করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

দেশের অর্থনীতির বিষয়ে বেশ কিছু হতাশাজনক পূর্বাভাসের প্রেক্ষাপটে তাদের এই সতর্কবার্তা।

গত মঙ্গলবার প্রকাশিত আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০৩১ সাল পর্যন্ত দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে ধীরগতির অর্থনীতির দেশ হতে পারে বাংলাদেশ।

সংস্থাটির প্রাক্কলন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার কমে তিন দশমিক দুই শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং ২০২৮ অর্থবছরে তা সর্বনিম্ন দুই দশমিক দুই শতাংশে পৌঁছাতে পারে। এরপর ২০৩১ অর্থবছর নাগাদ প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে প্রায় তিন শতাংশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

এই পূর্বাভাস অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে প্রকাশিত পাঁচ বছর মেয়াদী কৌশলগত কাঠামোর সম্পূর্ণ বিপরীত; যেখানে ২০৩১ অর্থবছর নাগাদ আট দশমিক পাঁচ শতাংশ প্রবৃদ্ধির উচ্চাভিলাষী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

সেই সাথে চলতি অর্থবছরে গড় মূল্যস্ফীতি ১০.৯ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে শঙ্কা করছে আইএমএফ। যা গত ১৬ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এ নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেছেন, আইএমএফ যে প্রাক্কলন করেছে, তা ভিত্তিগত পূর্বাভাস। সরকার যদি ব্যাংক, জ্বালানি ও ব্যবসা— এই তিনটি খাতে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংস্কার করতে ব্যর্থ হয়, তবেই এই পরিস্থিতি বাস্তবে রূপ নিতে পারে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

ব্যাংকে ‘পরিবারতন্ত্রের’ সুযোগ রেখে আইনের নতুন খসড়া— প্রথম আলোর প্রথম প্রথম পাতার সংবাদ এটি।

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি ব্যাংকে পরিবারতন্ত্রের প্রভাব কমাতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিল, তার কয়েকটি থেকে সরে আসছে বর্তমান সরকার।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী, বর্তমানে একই পরিবার থেকে তিনজন সদস্য একই সময়ে কোনো ব্যাংকের পরিচালক থাকতে পারেন। অন্তর্বর্তী সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক এই সংখ্যা কমিয়ে দুজন করার প্রস্তাব করে।

তবে, ব্যাংকমালিকদের চাওয়া অনুযায়ী, একই পরিবারের তিনজনকে ব্যাংকের পরিচালক হওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।

এছাড়া, একজন পরিচালকের মেয়াদ টানা ছয় বছরে নামিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয় অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে। বর্তমান আইনে একজন ব্যক্তি একই ব্যাংকের পরিচালক পদে একটানা ১২ বছর থাকতে পারেন। এক্ষেত্রে নয় বছর করতে চায় সরকার।

ঋণখেলাপি পরিচালকদের ক্ষেত্রেও কঠোর অবস্থান থাকছে না।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে পাসপোর্ট দেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশ ভেরিফিকেশনের (যাচাই) বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়ার পর সেই সুযোগ নিয়ে একটি চক্র মোটা টাকার বিনিময়ে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট করিয়ে দিচ্ছে, যা উদ্বেগ তৈরি করেছে।

রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়া ঠেকাতে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে পাসপোর্টের আবেদন যাচাইয়ে পুলিশ ভেরিফিকেশন আবার চালুর কথা ভাবছে সরকার।

ওই সিদ্ধান্তের আগে কক্সবাজার অঞ্চলে পাসপোর্টের আবেদন যাচাইয়ে বাড়তি সতর্কতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ ওঠেছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, অসাধু কর্মকর্তা ও দালালদের সঙ্গে মিলে সক্রিয় একটি চক্র রোহিঙ্গাদের এনআইডি ও পাসপোর্ট করিয়ে দিচ্ছে। রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবির থেকে শুরু করে চক্রটির বিস্তার কক্সবাজার, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায়।

আজকের পত্রিকা

এই খবরে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম নগরীর যানজট নিরসনে গত ১৫ বছরে পাঁচটি প্রকল্প হাতে নেয় চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)। এসব প্রকল্পের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই এবার অক্সিজেন মোড়ে প্রায় দুই হাজার ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে আরেকটি উড়াল সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি শিগগিরই অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর কথা রয়েছে। প্রস্তাবিত উড়াল সড়কটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। এর একটি র‍্যাম্প বায়েজিদ থেকে হাটহাজারী সড়কের সঙ্গে এবং অন্যটি কুয়াইশ সড়কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

এদিকে, নগরীর বিভিন্ন এলাকায় নির্মিত উড়াল সড়কগুলোর কোথাও সংযোগ সড়ক ও র‍্যাম্পের ঘাটতি, কোথাও নিচের সড়কে যানজট, আবার কোথাও ব্যয় বৃদ্ধি ও দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে সমালোচনা রয়েছে।

নগর পরিকল্পনাবিদদের অভিযোগ, এসব অবকাঠামো নির্মাণের ফলে বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও মাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) চালুর সুযোগও সংকুচিত হয়েছে।

তাদের মতে, শুধু উড়াল সড়ক নির্মাণ করে যানজটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়; প্রয়োজন সমন্বিত সড়ক ও গণপরিবহন ব্যবস্থা।

সমকাল

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশের অর্থনীতি নিয়ে নানা নেতিবাচক পূর্বাভাসের মধ্যেও স্বস্তির জায়গা রেমিট্যান্স। কিন্তু সেই স্বস্তির জায়গাতেও ঝুঁকি তৈরি করেছে সৌদি আরবের বর্তমান সংকট।

দেশটিতে হুতিদের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় বাংলাদেশের প্রধান শ্রমবাজারে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

রিয়াদে বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় গভীর উদ্বেগে রয়েছেন সৌদিগামী প্রায় ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী। তাদের অনেকের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে। নির্ধারিত সময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে।

শ্রমবাজার বিশ্লেষক ও খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে একদিকে বিদেশে কর্মী পাঠানোর সুযোগ সংকুচিত হতে পারে, অন্যদিকে রেমিট্যান্স প্রবাহেও চাপ তৈরি হতে পারে।

উল্লেখ্য যে, গত অর্থবছরে সৌদি আরব থেকে দেশে রেমিট্যান্স আসার হার ১৬ দশমিক ১৩ শতাংশ।

কালের কণ্ঠ

এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার ঢাকা, সাভার, ময়মনসিংহ ও নওগাঁয় পোশাক শ্রমিক, ব্যবসায়ী, কৃষক ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা বিভিন্ন দাবি আদায়ে পৃথক পৃথক বিক্ষোভ করেছেন।

এর মধ্যে ঢাকার উত্তরায় পোশাক শ্রমিকরা মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।

সাভারে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালকরা গ্যারেজ ভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন।

ময়মনসিংহে ব্যবসায়ীরা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং নওগাঁয় সার সংকটের কারণে শত শত কৃষক রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক অবরোধ করেন।

বিক্ষোভ চলাকালে অংশগ্রহণকারীরা নিত্যপণ্যের ঊর্ধ্বমূল্যের কারণে জীবনযাত্রার মান কমে যাওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বিষয়টিও তুলে ধরেন।

নিউ এইজ

এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জেলায় জেলায় পাবলিক বিশ্ববিদ্যায় প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় সেগুলো তুলনামূলক কম দূরত্বের মধ্যে হচ্ছে। যদিও নতুন করে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিয়ে অভিযোগ কম নেই।

বর্তমানে সারাদেশের ৫৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২৬টির শিক্ষা কার্যক্রমই চলছে ভাড়া করা ভবনে।

কাছাকাছি থাকা এসব প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক, অবকাঠামো, একাডেমিক পরিবেশ ও জনবল কাঠামো নিয়ে সংকটের অভিযোগ রয়েছে। পাশাপাশি দুর্নীতি, অনিয়ম, স্বজনপ্রীতিসহ নানাবিদ অভিযোগও রয়েছে।

এই বাস্তবতায় কাছাকাছি এলাকায় নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষাবিদরা বলছেন, পূর্বে অনুমোদিত বা প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যখন বছরের পর বছর নানা সংকট আর অনিয়মের মধ্যে দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে, তখন নতুন করে বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন উচ্চশিক্ষার বারোটা বাজাচ্ছে। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় চালুর পরিবর্তে ইতোপূর্বে চালু হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বাড়ানো প্রয়োজন।

দেশ রূপান্তর

এই খবরে বলা হয়েছে, ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের গ্লোবাল এনার্জি ট্রানজিশন বা জ্বালানি রূপান্তরের সূচকে বিশ্বের ১২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৯তম। এ তালিকায় দক্ষিণ এশিয়ায় শ্রীলংকা, প্রতিবেশী দেশ ভারত ও পাকিস্তানেরও পেছনে বাংলাদেশ।

চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় জ্বালানি রূপান্তরে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে উন্নত দেশগুলো। এছাড়া, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় এ রূপান্তর প্রক্রিয়া অনেক বছর ধরেই বৈশ্বিক পরিসরে আলোচিত।

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ৭ নম্বর লক্ষ্য ‘সাশ্রয়ী ও পরিচ্ছন্ন জ্বালানি’। ২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য সাশ্রয়ী, নির্ভরযোগ্য, টেকসই ও আধুনিক জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা তৈরির আহ্বান জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জ্বালানি রূপান্তর ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়াতে বারবার উদ্যোগ নিয়েও লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি রূপান্তরে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়ার কারণ মূলত প্রস্তুতির অভাব। অতীতে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, কিন্তু সেটা অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছিল না।

বণিক বার্তা

খবরটিতে বলা হয়েছে, হুতি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক আক্রমণের ফলে সৌদি আরবে ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা থেকে সৌদিগামী ১০০ ফ্লাইট ব্যাহতের তথ্য জানালো বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ।

এর মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট যেমন রয়েছে, তেমনি ট্রানজিট ফ্লাইটও রয়েছে। এসব ফ্লাইটের যাত্রীর সংখ্যা ১৫ হাজার ৩৯৩ জন।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক কাওছার মাহমুদ জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ফ্লাইট বাতিলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, গত রোববার হুতিদের হামলার পর রিয়াদ বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়। হামলা হয় দাম্মামেও।

মানবজমিন