Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার’

পত্রিকা: ‘স্বাক্ষরেই থমকে আছে সংস্কার’

3
0

Source : BBC NEWS

ঢাকা থেকে প্রকাশিত সংবাদপত্র

Published

পড়ার সময়: ৮ মিনিট

খবরটিতে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের পর এক বছর পেরিয়ে গেলেও সংস্কার বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের অভাবে সনদ ঘিরে তৈরি হওয়া প্রত্যাশা এখন অনিশ্চয়তায় রূপ নিয়েছে।

সরকার বলছে, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সনদের সব প্রস্তাব অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে।

তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সরকার জন-আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে চলছে। এ অবস্থায় রাজপথে আন্দোলন জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধীরা।

বিশ্লেষকেরা বলছেন, সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর, বাস্তবায়ন আদেশ জারি ও গণভোটে জনগণের সম্মতির পর প্রত্যাশা ছিল, এবার সংস্কার কার্যক্রম শুরু হবে। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রত্যাশার প্রতিফলন নেই। সনদ স্বাক্ষরের পরই যেন থমকে গেছে সংস্কারপ্রক্রিয়া।

আজকের পত্রিকা

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ দুই দশক পর ক্ষমতায় আসার পরপরই বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়। চার অঙ্গসংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, কৃষক দল ও ছাত্রদলের নেতৃত্ব পরিবর্তনের আভাস দেন দলের হাইকমান্ডও।

তবে এসব সংগঠনের কমিটি গঠন নিয়ে বিএনপিতে চলছে নানা হিসাব-নিকাশ। মূলত ক্লিন ইমেজের নেতৃত্ব আনার সিদ্ধান্তের কারণে কমিটি গঠনে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বিএনপি এবং চার সংগঠনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে পত্রিকাটি কথা বললে তারা জানায়, পাঁচই অগাস্টের পর সারাদেশে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি এবং দখলের অভিযোগ ওঠে। এসব অভিযোগে ইতোমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এখন নতুন কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে তরুণ, মেধাবী ও সংগঠনের জন্য ভালো ইমেজ রাখা নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। পাশাপাশি আন্দোলন-সংগ্রামী রাজপথে থাকা নেতাদেরও মূল্যায়ন করা হবে।

সংগঠনকে গতিশীল করা এবং ইতিবাচক ভাবমূর্তি ধরে রাখতে নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে সময় নিচ্ছেন বিএনপির হাইকমান্ড।

মানবজমিন

এই খবরে বলা হয়েছে, নতুন সরকার দায়িত্ব নিলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসায়ী মহলেও আশার সঞ্চার হয়েছিল, দেশের অর্থনীতি দ্রুত স্থবিরতা কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াবে।

তবে নয়া সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বলছে, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া ভঙ্গুর ও বিধ্বস্ত অর্থনীতির ক্ষত কাটিয়ে স্বাভাবিক ধারায় ফেরাতে অন্তত দুই বছর সময় লাগবে।

সংকটের শুরু কয়েক বছর বছর আগেই; করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ক্ষতির মুখে পড়ে।

তিন দশক পর ২০১৯-২০ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ শতাংশের নিচে নামে।

করোনা সংক্রমণ কমে গেলে অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু তা টেকসই হয়নি। অর্থনীতি আবার নিম্ন প্রবৃদ্ধির ধারায় চলে গেছে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো, অর্থনীতির ধীরগতির সঙ্গে চার বছরের বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি চলছে।

দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোতে পাকিস্তান ছাড়া বাংলাদেশের মতো নাজুক পরিস্থিতিতে কেউ নেই।

নিম্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে জিনিসপত্রের অস্বাভাবিক দাম নিম্ন আয়ের মানুষকে বড় ধরনের সংকটে ফেলেছে। এতে করে প্রকৃত আয় কমে দারিদ্র্যের হার আবার বাড়ছে। বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে ধীরগতি থাকায় বেকারত্ব বাড়ছে।

আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবি তিনটি প্রধান আন্তর্জাতিক ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানের সাম্প্রতিক পর্যালোচনা এমনটাই বলছে।

তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি সংকুচিত হয়ে আশির দশকের পর্যায়ে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছে, যা পুরো দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান অর্থনীতির মধ্যে সর্বনিম্ন।

সমকাল

টাইমস অব বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান শিরোনাম— Inflation, job crisis reverse decades of poverty gains; অর্থাৎ মূল্যষ্ফীতি ও কর্মসংস্থান সংকটে দুই দশকের অর্জনে উল্টো হাওয়া।

এই খবরে বলা হয়েছে, টানা দুই দশক ধরে দারিদ্র্য কমিয়ে উন্নয়নের বৈশ্বিক উদাহরণ হয়ে ওঠা বাংলাদেশে আবার উদ্বেগজনক হারে দারিদ্র্য বাড়ছে।

মূল্যস্ফীতি, প্রকৃত মজুরি কমে যাওয়া, বিনিয়োগে স্থবিরতা এবং মানসম্মত কর্মসংস্থানের অভাবে গত চার বছরে দেশে নতুন করে প্রায় ৮০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছেন।

এর মধ্যে শুধু গত অর্থবছরেই দরিদ্র হয়েছেন প্রায় ২১ লাখ মানুষ।

এর পাশাপাশি দেশের আরও প্রায় সাড়ে ছয় কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার সামান্য ওপরে বাস করছেন, যারা ছোটখাটো অর্থনৈতিক ধাক্কায় যেকোনো সময় চরম দারিদ্র্যের মুখাপেক্ষী হতে পারেন।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, ২০০১ সালে দেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ৪৮ দশমিক ৯ শতাংশ। পরের দুই দশকে কৃষি, শিল্প, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স এবং ব্যাপক কর্মসংস্থানের ওপর ভর করে দারিদ্রের হার নেমে আসে ১৮ দশমিক ৭ শতাংশে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে চিত্রটি পুরো উল্টে যায়।

বিশ্বব্যাংকের প্রাক্কলন অনুযায়ী, ২০২৩ সালে নতুন করে দরিদ্র হন প্রায় ৮ লাখ মানুষ। ২০২৪ সালে দারিদ্র্যের হার সাড়ে ২০ শতাংশে উন্নীত হয়ে নতুন দরিদ্রের সংখ্যা দাঁড়ায় ৩৭ লাখে। ২০২৫ সালে এ হার ২১ শতাংশ অতিক্রম করে আরও ১৪ লাখ মানুষকে দরিদ্র বানায়। আর গেল ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই হার আনুমানিক ২২ দশমিক ৫ শতাংশে পৌঁছে নতুন করে আরও ২১ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যের কাতারে ঠেলে দেয়।

টাইমস অব বাংলাদেশ

এই খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি বাংলাদেশ সরকারকে জ্বালানি চাহিদা মেটাতে মালয়েশিয়ার পেট্রোনাসের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। ১৯৭৪ সালে পেট্রোনাস গড়ে ওঠার দুই বছর আগে বাংলাদেশের পেট্রোবাংলা গঠন করা হয়।

এই দুই প্রতিষ্ঠানের কেবল চেয়ারম্যান নিয়োগের তুলনা করলে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটি ৫২ বছরে ১০ জনকে চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়েছে। সেখানে ৫৪ বছরে পেট্রোবাংলা পেয়েছে ৩৪ জন চেয়ারম্যান।

অন্যদিকে, ভারতের অয়েল অ্যান্ড ন্যাচারাল গ্যাস করপোরেশন (ওএনজিসি) ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি দেশের বাইরে সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান করলেও পেট্রোবাংলা নিজেদের সাগরে কূপ খনন তো দূরের কথা, অনুসন্ধান করার মতো কোনো জনবলই গড়ে তুলতে পারেনি।

গত ১০ বছর ধরে ক্রমাগতভাবে দেশীয় গ্যাসের উত্তোলনের পরিমাণ কমেছে। গত ১২ অক্টোবর দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৬৩৩ মিলিয়ন ঘনফুট, এর মধ্যে ৯১১ মিলিয়ন ঘনফুট তুলছে বিদেশি দুই কোম্পানি। আর বাকি গ্যাস তুলছে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড, সিলেট গ্যাস ফিল্ড ও বাপেক্স।

দেশের যেসব এলাকায় এখনো উত্তোলন ও অনুসন্ধান শুরু হয়নি, সেসব জায়গাতে কেবল বাপেক্স ছাড়া বাকি দুই কোম্পানি কোনো কাজই করে না। এই দুই কোম্পানির কাজের ক্ষেত্র নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। কেবল তারা বিদ্যমান খনিতে গ্যাসকূপ খনন করে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাপেক্সের মতোই অন্য দুই কোম্পানির কাছে নতুন নতুন এলাকা ছেড়ে দিয়ে অনুসন্ধানে জোর দেওয়া উচিত।

এছাড়া, একবার কোথাও ব্যর্থ হলে আর সেখানে সহজে যেতে চায় না পেট্রোবাংলা।

দেশ রূপান্তর

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— বেতন নেন চালক, ময়লার গাড়ি চালান অন্যরা, প্রাণ যায় মানুষের।

এই খবরে বলা হয়েছে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) বর্জ্য পরিবহনের গাড়ি নিয়ে প্রথম আলোর অনুসন্ধানে ২২টি গাড়ি অন্যদের দিয়ে চালানোর তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এমন গাড়ি অন্তত ৫৬টি। বরাদ্দপ্রাপ্ত চালকদের একাংশ নিজেরা গাড়ি না চালিয়েও বেতন নিচ্ছেন। গাড়ি চালাচ্ছেন তাদের রাখা সহকারী বা বাইরের লোক।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বরাদ্দের জ্বালানি পুরোটা না তুলে বাকি অংশের টাকা ভাগাভাগির অভিযোগ।

২০১৭ সাল থেকে চলতি বছরের চৌঠা অক্টোবর পর্যন্ত দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ময়লার গাড়ির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ১৬টি দুর্ঘটনায় অন্তত ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এর মধ্যে অন্তত তিনটি ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত চালকের বদলে অন্য ব্যক্তির গাড়ি চালানোর তথ্য পাওয়া যায়।

এমন অনিয়মের কথা পুরোপুরি অস্বীকার করেননি ডিএসসিসির পরিবহন চালক শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি শাহ আলম তালুকদার।

ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, লাইসেন্স ছাড়া কাউকে গাড়ি চালাতে না দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সহকারীকে গাড়ি চালাতে দিলে সংশ্লিষ্ট চালকের পাশাপাশি তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম আলো

এই খবরে বলা হয়েছে, বুড়িগঙ্গার তীরবর্তী উন্মুক্ত স্থানে এবার ভারী শিল্প স্থাপনের অনুমোদন দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কৌশলগত বন্যাপ্রবাহ এলাকা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা তুলে নিয়ে আবাসন প্রকল্প নির্মাণের সুযোগও দেয়া হয়েছে।

অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) এমন পরিবর্তন আনা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

নগর পরিকল্পনাবিদদের মতে, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্ত রাজধানীর পরিবেশ, জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি ও বাসযোগ্যতার ওপর নতুন চাপ তৈরি করবে।

বিশেষ করে পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এই এলাকায় ভারী শিল্প স্থাপনের অনুমোদন পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। কেননা বিদ্যমান শিল্প ও কলকারখানার অপরিশোধিত তরল বর্জ্য এবং রাসায়নিক পদার্থ সরাসরি নদীতে ফেলার কারণে এমনিতেই মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে এর প্রতিবেশ।

বণিক বার্তা

এই খবরে বলা হয়েছে, দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে।

ফলে নতুন স্মার্টফোন, টেলিভিশন, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি), গাড়ি ও দামি প্রসাধনসামগ্রীর বাজারে বিক্রিতে মন্দা দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও অর্থনীতিবিদরা বলছেন, একদিকে সরবরাহ ব্যবস্থার ঘাটতিতে উৎপাদন খরচ বাড়ছে, অন্যদিকে মৌলিক চাহিদা মেটাতে নাভিশ্বাস ওঠায় বিলাসপণ্য কেনা এড়িয়ে চলছেন ক্রেতারা।

এই দ্বিমুখী সংকটে বৈশ্বিক ও দেশীয় উভয় বাজারেই ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কৌশল বদলাতে বাধ্য হচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

উদ্বেগের জায়গা হলো, মানুষের চাহিদা কমে গেলে তার প্রভাব শুধু স্মার্টফোন বা গাড়ির বাজারে সীমাবদ্ধ থাকে না। উৎপাদন, আমদানি, পরিবহন, বিপণন, খুচরা বিক্রি ও কর্মসংস্থানেও এর প্রভাব পড়ে।

কালের কণ্ঠ

প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, হুতিদের হামলার জেরে রিয়াদের কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং দাম্মাম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সারাবিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

তবে বিকল্প হিসেবে মদিনা ও জেদ্দায় বাংলাদেশসহ বিশ্বের অন্যান্য দেশের ফ্লাইট চলাচল এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে, হাজার হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি ছুটিতে এসে আটকা পড়েছেন। তারা ওই সব গন্তব্যের ফ্লাইট না পেয়ে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দিশেহারার মতো ছোটাছুটি করছেন।

এ অবস্থায় বিমান বাংলাদেশ ও ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ এসব কর্মীর পাশাপাশি নতুন চাকরি নিয়ে সৌদি যাওয়া যাত্রীদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকিট পরিবর্তনের সুযোগ দিতে শুরু করেছে।

তবে সেটি খুব নগন্য বলে মনে করছেন ভুক্তভোগীরা। যার কারণে অনেকেই তাদের ভিসার মেয়াদ চলে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন বলে বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

নয়া দিগন্ত

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Transport, tech, energy: Bangladesh to seek $14b investment from Japan during PM’s visit; অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর সফরে জাপান থেকে পরিবহন, প্রযুক্তি ও জ্বালানি খাতে ১৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রত্যাশা।

এই খবরে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরে দেশটির কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের একটি বিশাল কৌশলগত বিনিয়োগ ও সহযোগিতা প্যাকেজের প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ২৬শে অক্টোবর শুরু হচ্ছে তার এই সফর।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬-৩১ মেয়াদে বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত এই প্যাকেজটিতে ১২টি অগ্রাধিকার খাত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এই উদ্যোগগুলোর লক্ষ্য হলো— সহজ শর্তে ঋণ, বেসরকারি বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও গভীর করা।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড