Home LATEST NEWS BANGLA পত্রিকা: ‘যে কোনো সময় পে-স্কেল ঘোষণা: মুখ্য সচিব’

পত্রিকা: ‘যে কোনো সময় পে-স্কেল ঘোষণা: মুখ্য সচিব’

5
0

Source : BBC NEWS

পত্রিকা

Published

পড়ার সময়: ৭ মিনিট

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার একথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব বলেন, পে-স্কেল বিবেচনাধীন আছে এবং এ বিষয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। এটা আমরা বাস্তবায়ন করব। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যে কোনো মুহূর্তে পে-স্কেল ঘোষণা হতে পারে।

খবরে আরো বলা হয়েছে, পে-স্কেল ঘোষণার ফলে অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ ও মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে মুখ্য সচিব বলেন, ‘না, সেটা তো আমাদের মাথায় আছে। কিন্তু কী করবেন? সাধারণত পাঁচ-ছয় বছর পরপর পে-স্কেল হওয়ার কথা। কিন্তু বিগত সরকার ১১ বছর যাবত কোনো পে-স্কেল ঘোষণা করেনি। যার ফলে এই ১৮ লাখ কর্মকর্তা-কর্মচারী আমরা চাপের মধ্যে আছি।

তিনি বলেন, এখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাদের বেতন তো বাড়াতে হবে। এটা হয়তো জনগণের জন্য একটু কষ্টকর হবে। কিন্তু এটাও তো ঠিক যে, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের মূল্যস্ফীতির সঙ্গে জীবনযাত্রার সমন্বয়ের দাবি করছেন।

এটি একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, পাঁচ থেকে ছয় বছরের মধ্যে পে-স্কেল হওয়ার কথা কিন্তু আজ প্রায় ১২ বছর হয়ে যাচ্ছে।

যুগান্তর
আজকের পত্রিকা

তাদের মধ্যে ১৮২ জনের পরিচয় ও মামলার কোনো তথ্যই কারা অধিদপ্তরের নথি বা অনলাইন ব্যবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে না।

ফলে এসব বন্দী কারা, কোন মামলায় কারাগারে ছিলেন বা তারা সাজাপ্রাপ্ত নাকি বিচারাধীন আসামি, তা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না।

এই ১৮২ জনের মধ্যে দেড় শতাধিক নরসিংদী কারাগারের এবং বাকিরা শেরপুরের।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আগে ও পরে পাঁচটি কারাগারে হামলা ও বিদ্রোহের ঘটনায় মোট ২ হাজার ২৪০ বন্দী পালিয়ে যায়।

এ সময় কারাগার থেকে ৯৪টি আগ্নেয়াস্ত্র ও বিপুলসংখ্যক গুলি লুট হয়।

কারা কর্তৃপক্ষ বলছে, আদালতের নথি ধরে অনুসন্ধান করলে কিছু বন্দীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হতে পারে, তবে বিপুলসংখ্যক মামলা ও নথি ঘেঁটে তা বের করা অত্যন্ত কঠিন।

দেশে থাকা পলাতকদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে, তবে তাদের কেউ কেউ বিদেশেও পালিয়ে থাকতে পারেন।

দ্য ডেইলি স্টার

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- They drifted to their deaths over 11 days অর্থাৎ তারা ১১ দিন ধরে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছিলেন। খবরে বলা হচ্ছে, গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে খাবার ও পানি ছাড়া ১১ দিন ভেসে থাকার পর অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

তাদের মধ্যে নয়জনই বাংলাদেশি।

মিসরে চিকিৎসাধীন এক বাংলাদেশি বেঁচে যাওয়া যাত্রী আবদুল করিম জানিয়েছেন, নৌকাটিতে মোট ৪২ জন ছিলেন, যার মধ্যে ৩৮ জন বাংলাদেশি।

গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেলে তারা সাগরে আটকা পড়েন।

আবদুল করিম জানান, নৌকায় খাবার ও পানি শেষ হয়ে যাওয়ার পর একে একে নয় বাংলাদেশি তাদের চোখের সামনে মারা যান। পরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।

মরদেহগুলো সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হন তারা।

এদিকে ফ্রনটেক্সের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে গ্রিসে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি।

এ সময়ে অন্তত ৩ হাজার ৬০৮ জন বাংলাদেশি এই পথে গ্রিসে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন।

কালের কণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে তিনটি শর্তের কথা বলেছে বাংলাদেশ সরকার। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে কয়েক সপ্তাহ ধরে যোগাযোগ চলছিল।

তবে সফরের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ পলাতক অন্য অপরাধীদের দ্রুত ফেরত পাঠাতে এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার আসামিদের বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করতে ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।

গতকাল রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের কর্মকর্তারা কয়েক সপ্তাহ ধরে একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগে ছিলেন।

তবে গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত শেখ হাসিনা যেভাবে প্রকাশ্য সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেছেন, তাতে এই প্রক্রিয়া ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রথম আলো

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দ্রুত প্রত্যর্পণসহ একাধিক পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে দিল্লির উত্তরের জন্য অপেক্ষায় আছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম গতকাল রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরির বিষয়ে যা বলা হয়েছে, সে বিষয়ে ভারতের উত্তরের অপেক্ষায় আছে বাংলাদেশ।

প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের গণমাধ্যমে লেখালেখি হচ্ছে।

বিষয়টি নিয়ে গতকাল প্রথমবারের মতো নিজেদের অবস্থান গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরল বাংলাদেশ সরকার।

বণিক বার্তা

অন্যদিকে বড়পুকুরিয়া খনি থেকে উত্তোলন করা কয়লার পুরোটাই ব্যবহার হয় ওই এলাকায় স্থাপিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে।

সরকার জ্বালানি ঘাটতি মেটাতে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী খনি থেকে কয়লা উত্তোলনের কথা জানিয়েছে।

এ খনি থেকে উত্তোলন শুরু হলে বছরে ১৫ মিলিয়ন বা দেড় কোটি টন কয়লা পাওয়া যাবে বলে বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) সূত্রে জানা গেছে।

জ্বালানি বিভাগের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, সেক্ষেত্রে দেশে স্থাপিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য আমদানি করা কয়লা চাহিদার ৭৫ শতাংশই স্থানীয় উৎস থেকে মেটানো যাবে।

তাদের মতে, এতে একদিকে যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদনে গ্যাসের চাপ কমবে, তেমনি সাশ্রয় হবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা। কমবে আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি।

মানবজমিন

তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের টার্মিনাল সামিট পুরোদমে ও এক্সিলারেট এনার্জি আংশিক চালু হয়েছে। এতে শনিবার থেকে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। যদিও গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটতে আরও কয়েকদিন লাগতে পারে।

তবে, সরবরাহ বাড়লেও রাজধানীর বাসা-বাড়ি ও সিএনজি পাম্পগুলোতে এর প্রভাব দেখা যায়নি। পাম্পে আগের মতোই লম্বা লাইন ধরে গ্যাস সংগ্রহ করতে হচ্ছে চালকদের। ঢাকার অন্তত পাঁচটি গ্যাসের পাম্প ঘুরে ভোগান্তির এমন চিত্র দেখা গেছে।

এলএনজি সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে দু’টি ভাসমান টার্মিনাল আছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০ কোটি ঘনফুট ও দেশীয় কোম্পানি সামিটের টার্মিনালের সক্ষমতা ৫০ কোটি ঘনফুট।

বাংলাদেশ তেল, গ্যাস, খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) সূত্র জানিয়েছে, শনিবার ভোর চারটার দিকে সামিটের টার্মিনাল থেকে ৪৬ কোটি ঘনফুট ও এক্সিলারেট থেকে ৩০ কোটি ঘনফুট করে এলএনজি সরবরাহ শুরু হয়েছে।

দেশে দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট। স্বাভাবিক সময়ে সর্বনিম্ন ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত সরবরাহ চলে। এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয় ১০৫ কোটি ঘনফুট।

শুক্রবার বিকাল পর্যন্ত দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুট ছিল। শনিবার এটি বেড়ে প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুট হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যা দিনে ৩০ কোটি ঘনফুট ঘাটতি।

নয়া দিগন্ত

নয়া দিগন্ত পত্রিকার শীর্ষ খবর – বাংলাদেশের ঐতিহাসিক বিজয়। এ খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকে অবাক করা এক জয় ছিনিয়ে আনল বাংলাদেশের ক্রিকেট দল। অসাধারণ বা ঐতিহাসিক কোনো বিশেষণেই এ বিজয়ের বিশালত্ব বর্ণনা করার মতো নয়।

টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল অস্ট্রেলিয়াকে হারানো যেকোনো দলের জন্যই অনেক বিরাট চ্যালেঞ্জ।

আর তা যদি হয় অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাহলে তো কথাই নেই। গতকাল ক্রিকেট বিশ্বের সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ জয়ের সংবাদটি ছিল বজ্রাঘাতের মতোই।

আন্তর্জাতিক সব গণমাধ্যমেই বেশ গুরুত্বের সাথে ছাপা হয় বাংলাদেশের অস্ট্রেলিয়া বধের খবর। অনেকের কাছেই এটি ছিল ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম এক অঘটন।

প্রস্তুতি ম্যাচের ইনিংস পরাজয় যেখানে বড় হারের শঙ্কা জাগিয়েছিল, সেখানে বাংলাদেশের এমন সাবলীল জয় অকল্পনীয়ই ছিল।

ব্যাটে-বলে দাপটের সাথে খেলেই সাড়ে তিন দিনেই জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ দল। ২০০০ সালে টেস্ট অভিষেকের পর এটিই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জয় বললে বাড়িয়ে বলা হবে না।

নিউ এইজ

দেশজুড়ে তীব্র গ্যাস সংকটে প্রায় ৯০০টি টেক্সটাইল মিল, ৩০০টি ডাইং ও ফিনিশিং কারখানাসহ বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠানে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে।

আশুলিয়া, সাভার, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, ভালুকা, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও চট্টগ্রামের শিল্পাঞ্চলগুলোতে সংকট সবচেয়ে বেশি।

শিল্প মালিকরা বলছেন, গ্যাস সংকটে বিদেশি ক্রয়াদেশ প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর দিকে চলে যাচ্ছে।

গত ২১ জুলাই আগুনে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সংকট আরও তীব্র হয়।

রোববার গ্যাস সরবরাহ ছিল ২,২৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট, যেখানে দৈনিক চাহিদা প্রায় ৪,০০০ মিলিয়ন ঘনফুট।

বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানান, ১০ আগস্টের পর সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশ্বাস মিললেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি; শুধু নারায়ণগঞ্জেই ৩০০টির বেশি ডাইং ও ফিনিশিং কারখানা বন্ধ রয়েছে।

টাইমস অফ বাংলাদেশ

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর- Fertiliser chaos: Farmers forced to pay Tk350-700 extra per sack অর্থাৎ সার নিয়ে বিশৃঙ্খলা: প্রতি বস্তায় কৃষকদের ৩৫০-৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে

আমন মৌসুমের শুরুতেই কয়েকটি জেলার কৃষকদের নির্ধারিত দামের চেয়ে প্রতি বস্তা সারে ৩৫০ থেকে ৭০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে।

কৃষকদের অভিযোগ, কৃত্রিম সংকট তৈরি, অনুমোদনহীন বেচাকেনা এবং সরকারি বরাদ্দের সার অন্যত্র সরিয়ে দেওয়ার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

তারা আশঙ্কা করছেন, আরও দুই সপ্তাহ পর আমন ধানের জন্য সারের চাহিদা বাড়লে সংকট আরও তীব্র হতে পারে।

কৃষকদের অভিযোগ, কিছু ডিলার অনুমোদিত চ্যানেলে সামান্য পরিমাণ সার সরবরাহ করে বাকি সার ব্যবসায়ীদের কাছে বেশি দামে বিক্রি করছেন।

আবার কেউ কেউ নিয়ম ভেঙে কমিশনের বিনিময়ে সাব-ডিলারদের কাছে সার দিচ্ছেন।

এমনকি গুদাম থেকে সার তোলার আগেই বরাদ্দের অর্ধেক পর্যন্ত হাতবদল হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

সরকারি বরাদ্দের সার বিদেশি ব্র্যান্ডের বস্তায় ভরে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে।