Home LATEST NEWS BANGLA যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া সামরিক মহড়া মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়ার কারণ কী?

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া সামরিক মহড়া মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়ার কারণ কী?

5
0

Source : BBC NEWS

পানমুনজমে দুই কোরিয়াকে বিভক্তকারী অসামরিকীকৃত অঞ্চলের একটি সামরিক সীমারেখায় ছবি তোলার জন্য পোজ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আন

ছবির উৎস, Reuters

শুক্রবার আকস্মিকভাবেই শেষ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বার্ষিক সামরিক মহড়া।

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পেন্টাগনকে এই মহড়া ‘উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার’ নির্দেশ দেন।

তার পরপরই দক্ষিণ কোরিয়ার ১৮ হাজার সেনা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের আরও ১১টি মিত্র দেশের সৈন্যদের অংশগ্রহণে ‘উলচি ফ্রিডম শিল্ড’ নামের এই মহড়া চলমান অবস্থায় মাঝপথেই বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।

ট্রাম্প এই মহড়াকে উত্তর কোরিয়ার প্রতি ‘অনুপযুক্ত ও শত্রুতামূলক’ বলে অভিহিত করে বলেছেন, তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও ব্যয়বহুল। ট্রাম্পের এই ঘোষণা তার মিত্রদেরও বিস্মিত করেছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো হিউন সিদ্ধান্তটিকে পারস্পরিক সমঝোতার ফল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে তিনি এটাও স্বীকার করেছেন যে, মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের কথা দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তারা আগে থেকে জানতেন না।

এই পদক্ষেপে উদ্বেগ দেখা দিতে পারে তাইওয়ান ও জাপানের মতো দেশেও। অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর দেশ দুটি দীর্ঘদিন ধরে নির্ভর করে আসছে।

এর আগে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানানোর জন্যও দক্ষিণ কোরিয়ার সমালোচনা করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এ বছরের শেষের দিকে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আনের সঙ্গে তার বৈঠক হতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই কূটনৈতিক উপায়ে কিমের সঙ্গে ট্রাম্পের যোগাযোগকে স্বাগত জানিয়ে আসছে। তবে এর বিনিময়ে অর্থ ও ইরানে সামরিক সহায়তার দাবি আসুক—এটা তারা চাইত না।

যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়া জোট

দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলা এই বার্ষিক সামরিক মহড়াকে দুই দেশের জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকারের প্রকাশ হিসেবে বিবেচনা করে।

যদিও উত্তর কোরিয়াকে শান্তি আলোচনায় আনতে দক্ষিণ কোরিয়া অতীতে মহড়া কমানো বা স্থগিত করতে সম্মত হয়েছে, তবে ট্রাম্পের একতরফা ও আকস্মিকভাবে মার্কিন সেনাদের আগেই সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত মিত্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার আস্থার ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন আটলান্টিক কাউন্সিলের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো জো বি-ইউন।

এখন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ট্রাম্প হয়তো আরও এক ধাপ এগিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় মোতায়েন করা ২৭ হাজার মার্কিন সেনার সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারেন। এমনকি মিত্র দেশটির সঙ্গে কোনো পরামর্শ ছাড়াই উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার দীর্ঘদিনের নীতিও যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যাগ করতে পারে।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর আমন্ত্রণে সামরিক কুচকাওয়াজে অংশ নেন। সেখানে তার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও উপস্থিত ছিলেন

ছবির উৎস, Getty Images

কোরীয় যুদ্ধের পর দুই কোরিয়ার মধ্যে কোনো শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর না হওয়ায় একদিক থেকে বলতে গেলে- তাদের মধ্যে যুদ্ধ এখনো চলছে। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে পুনরায় একত্রীকরণ ছিল উত্তর কোরিয়ার আদর্শের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ– যদিও সময়ের সঙ্গে তা ক্রমেই অবাস্তব হয়ে উঠেছিল। ২০২৪ সালে কিম সেই নীতি পরিত্যাগ করেন।

তা সত্ত্বেও দক্ষিণ কোরিয়ার বিরুদ্ধে হুমকি থামেনি।

সামরিক মহড়া শুরুর কয়েক দিন আগে উত্তর কোরিয়া জাপানের দিকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে এবং আবারও সতর্ক করে বলেছে, দেশটি হুমকির মুখে পড়লে নিজেদের পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অধিকার তাদের রয়েছে। বৃহস্পতিবার আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

দক্ষিণ কোরিয়ার জন্য এবার বড় উদ্বেগের বিষয় হলো, ট্রাম্প প্রশাসন নিরাপত্তা ও বাণিজ্য- এই দুই বিষয়কে আর আলাদা করে দেখছে না।

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে তার সঙ্গে যোগ না দেওয়ায় ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার ওপর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এছাড়া বাণিজ্যিক অংশীদার হিসেবেও দক্ষিণ কোরিয়ার ভূমিকা নিয়ে তিনি অসন্তুষ্ট।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, মার্কিন সেনাদের দক্ষিণ কোরিয়ায় রাখার জন্য দেশটির বছরে এক বিলিয়ন ডলারের ব্যয় যথেষ্ট নয়; একই সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়া যে ৩৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে এবং দেশটিতে কার্যক্রম পরিচালনাকারী মার্কিন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে বৈষম্য করছে।

এখন বাণিজ্য নিয়ে বিরোধ যখন জাতীয় নিরাপত্তার উদ্বেগে রূপ নিচ্ছে, তখন কেউ কেউ দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর আহ্বান জানিয়েছেন।

সেজং ইনস্টিটিউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পক্ষে থাকা চেয়ং সিয়ং-চ্যাং বলেছেন, সিউলকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট বজায় রাখতে হবে। তবে একই সঙ্গে তাদের ‘নিজস্ব পারমাণবিক প্রতিরোধ সক্ষমতা অর্জনের পদক্ষেপ নিতে হবে’।

দক্ষিণ কোরিয়ার অধিকাংশ মানুষ পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ হওয়ার পক্ষে থাকলেও, দেশটির সরকার যুক্তি দিয়ে আসছে যে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের প্রয়োজন নেই বরং এটি দেশটির মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র এশিয়া থেকে আরও সরে গেলে এই অবস্থান বদলে যেতে পারে।

দক্ষিণ কোরিয়ার পাজুতে ইমজিন নদীতে মার্কিন সেনারা নদী পারাপারের মহড়া করছে।

ছবির উৎস, EPA

এদিকে, ট্রাম্পের সামরিক মহড়া আগেভাগে শেষ করার সিদ্ধান্তকে নিজেদের স্বার্থে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে দক্ষিণ কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক মেরামতের চেষ্টা করে আসা প্রেসিডেন্ট লি জে-মিয়ং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ট্রাম্পের প্রশংসা করেছেন। তিনি লিখেছেন, “আমি বিশ্বাস করি, (আপনার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টটি) শান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনার গভীর বিবেচনার ফল এবং এটি একটি সাহসী সিদ্ধান্ত।”

লি তার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একই সঙ্গে, দেশের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেদেরই নেওয়া উচিত– ট্রাম্পের এই মতের সঙ্গে তিনি “পুরোপুরি একমত” বলেও জানিয়েছেন।

ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদ থেকেই তার কূটনীতির আপাত খামখেয়ালি ধরনকে সিউল একই সঙ্গে ঝুঁকি ও সুযোগ হিসেবে দেখে আসছে।

প্রশংসা ও অতিরিক্ত আশাবাদের মিশ্র কৌশলে সিউল ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো দায়িত্ব পালনরত কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও কিম জং আনের মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করতে সফল হয়।

তবে বৈঠকের পরপরই ট্রাম্প আকস্মিকভাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া স্থগিতের ঘোষণা দেন।

২০১৯ সালে দ্বিতীয় বৈঠক থেকে কোনো চুক্তি ছাড়াই বেরিয়ে আসেন ট্রাম্প, কারণ কিম তার পুরো পারমাণবিক স্থাপনা পরিত্যাগ করতে অস্বীকৃতি জানান।

পরে একই বছর পানমুনজমে টেলিভিশনের জন্য আয়োজন করা সংক্ষিপ্ত বৈঠকটি ছাড়া দুই নেতা আর কোনো অর্থবহ আলোচনায় বসেননি।

শক্ত অবস্থানে কিম জং আন

শীর্ষ বৈঠকগুলোর পর উত্তর কোরিয়ার ক্ষোভের সবচেয়ে বড় ধাক্কা সামলাতে হয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকেই।

উত্তর কোরিয়া তাদের ভূখণ্ডে থাকা দক্ষিণ কোরিয়ার লিয়াজোঁ অফিসটি গুঁড়িয়ে দেয় এবং পরে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান শেয়ার করাকে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ করে নতুন আইন প্রণয়ন করে তারা। একই সঙ্গে সংবিধানে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের অধিকারও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

অন্যদিকে, ট্রাম্প এখনো বলে আসছেন যে কিমের সঙ্গে তার “দারুণ সম্পর্ক” রয়েছে। বুধবার সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “সে আমাকে পছন্দ করে”।

তবে কিমের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং এক বিবৃতিতে বলেছেন, সম্প্রতি তার ভাই ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন– ট্রাম্পের এমন দাবির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।

কিম ইয়ো জং বলেন, এটি “অবশ্যই আমাদের পররাষ্ট্রনীতির একমাত্র বিষয়, যেটি সম্পর্কে আমি জানি না।”

তিনি আরও জানান, উত্তর কোরিয়া কখনোই তার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করবে না, কারণ এসব অস্ত্র অঞ্চলটির ভারসাম্য ও স্থিতিশীলতা জোরদার করে।

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া কমিয়ে আনার বিষয়টিও কিম ইয়ো জং গুরুত্ব দিয়ে দেখেননি। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে তার বক্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, এই মহড়া কমানোর সিদ্ধান্ত “উত্তর কোরিয়ার আগ্রহ বা মন্তব্য পাওয়ার মতো কোনো বিষয় নয়” এবং এতে মহড়াগুলোর “শত্রুতামূলক ও আক্রমণাত্মক চরিত্রের” কোনো পরিবর্তন হবে না।

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং আন এবং তার বোন কিম ইয়ো জং যুদ্ধবিরতিতে থাকা গ্রাম পানমুনজমের পিস হাউসে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি মুন জে-ইনের সঙ্গে এক বৈঠকে যোগ দেন।

ছবির উৎস, Reuters

বছরের শেষ দিকে কিম জং আনের সঙ্গে ট্রাম্প বৈঠক করবেন বলে জানালেও খুব কম বিশেষজ্ঞই তা হবে বলে মনে করেন। বিশেষ করে যখন কিম মস্কোর সঙ্গে জোট থেকে লাভবান হচ্ছেন এবং চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করছেন।

পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে প্রকাশ্যে স্বীকৃতি দেওয়ার যে প্রধান দাবি উত্তর কোরিয়ার রয়েছে, ট্রাম্প তা মেনে নিতে প্রস্তুত না হলে পিয়ংইয়ংয়ের আলোচনায় বসার জন্য তেমন কোনো প্রণোদনা নেই।

সামরিক মহড়া কমিয়ে আনা ইতোমধ্যেই বড় ছাড়। এটা কেবল পিয়ংইয়ংয়ের জন্যই নয়, বেইজিংয়ের জন্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ ছাড়। কারণ চীনও মনে করে, এই মহড়াগুলো তাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি।

এর ফলে সামরিক দিক থেকে দেশটিকে আগের চেয়ে শক্তিশালী বলে মনে হওয়া উত্তর কোরিয়ার আরও দাবির সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে উত্তর কোরিয়া কোনো হুমকি নয়। তবে দেশটি কখনোই নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রচেষ্টা থামায়নি। তারা ছয়বার পারমাণবিক বোমার পরীক্ষা চালিয়েছে এবং এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে এসব অস্ত্র বহনের সক্ষমতা অর্জন করেছে, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সাম্প্রতিক সময়ে উত্তর কোরিয়া ইউক্রেনে রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। সেখানে তারা কয়েক বিলিয়ন ডলার মূল্যের কামানের গোলা ও ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে এবং অন্তত ১৩ হাজার সেনা পাঠিয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

যুদ্ধে হাজার হাজার সেনা হতাহত হলেও, এখন তাদের সেনারা ড্রোন পরিচালনা ও ব্যবহারে অভিজ্ঞ হয়ে উঠেছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছে।

গবেষক জো বি-ইউনের দৃষ্টিতে, উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে নিজেদের রক্ষায় দক্ষিণ কোরিয়ার খুব বেশি কিছু করার সুযোগ নেই। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাদের জোট এখন “জীবন-মরণের বিষয়”।